প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৯ পিএম
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৫৯ পিএম
সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এলপিজির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: ভিড়িও থেকে নেওয়া
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানোর সঙ্গে আমদানিকারকদের সংশ্লিষ্টতা নেই, খুচরা পর্যায়ে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা চলে; সেক্ষেত্রে ভোক্তা বিড়ম্বনা ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এলপিজির বর্তমান বাজার মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “খুচরা পর্যায়ে অনেক সময় যারা রিটেল সেল করেন তারা পরিস্থিতির সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেন। এবং এটি আমদানিকারকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নাই। তো ভোক্তা পর্যায়ে যেন এরকম বিড়ম্বনার শিকার না হতে হয় বা কেউ মার্কেট অ্যাবিউজ করতে না পারেন সেজন্য আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াব আগামী দিন থেকে”।
তিনি বলেন, “এপারেন্টলি এলপিজির কিছু গ্যাপ আছে এরকম গণমাধ্যমে এসেছে। রিটেল পর্যায়ে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের মূল্য যেটি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৩৫৬ টাকা সেটি বিভিন্ন জায়গায় তার থেকে বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে এরকম সংবাদ এসেছে।
“আগামী দিনে যেন এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকে এবং খুচরা পর্যায়ে ভোক্তা পর্যায়ে কোনো ধরনের অসহনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়। বাজার স্থিতিশীল থাকে সেই উদ্দেশ্যে আমরা এলপিজি আমদানিকারক এবং সরকারের বিভিন্ন সহায়ক সংস্থা যারা আমরা ফ্যাসিলিটেট করি, রেগুলেট করি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সহ তাদেরকে নিয়ে আমরা বসেছিলাম। এখানে আমরা একটি মিনিংফুল আলোচনা করেছি”।
“যারা এই সেক্টরের সাথে জড়িত তারা কতগুলি বাস্তব সমস্যা তুলে ধরেছেন। আমরা সেটার নোট নিয়েছি এবং সেগুলি আগামী দিনে যতটুকু সম্ভব সমাধান করে তারা যাতে তাদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারেন সেটির জন্য আমরা সচেষ্ট থাকব” বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
খুচরা বাজারে বাড়তি দাম প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “আমার এখানে যারা আছেন তারা আমদানিকারক বা যাদের বোটলিং প্লান্ট আছে এবং আমদানিকারক। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে অনেক সময় যারা রিটেল সেল করেন তারা পরিস্থিতির সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেন। এটির সাথে আমদানিকারকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নাই। ভোক্তা পর্যায়ে যেন এরকম বিড়ম্বনার শিকার না হতে হয় বা কেউ মার্কেট অ্যাবিউজ করতে না পারেন সেজন্য আগামী দিন থেকে আমরা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াবো”।