প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:২১ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বুধবার সকালে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ছবি: বাসস
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে, যাতে এই জাতীয় কোনো ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে আর না দেখতে হয়।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বুধবার সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একটি স্বাধীন জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনের রিপোর্ট আমাদের সামনে আসছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই রিপোর্ট বাস্তবায়নে তেমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
তিনি বলেন, “আমি কয়েকদিন আগেই এই রিপোর্টটা পুরো না দেখেই কিছু কথা বলেছি, যেগুলো আজ সংশোধন করতে চাই। আমরা নতুন করে আর কোনো তদন্ত কমিশন করবো না। যেহেতু জাতীয় একটা স্বাধীন তদন্ত কমিশন দক্ষ ও উপযুক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত হয়েছে , তাদের রিপোর্টে আমি এক নজরে যা দেখেছি তাতে যে সমস্ত সুপারিশমালা এসেছে তা প্রায় ৭০টি।”
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বিচারাধীন যে মামলাগুলো আছে, কিছু আপিল পর্যন্ত, কিছু আপিলেড ডিভিশনে হয়তো আছে। জুডিশিয়াল প্রসেসটা সমাপ্ত করা হবে আর অন্যান্য যে রিকমেন্ডেশনস আছে এগুলো আমরা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবো।
“অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সুপারিশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি ছিল পিলখানার ঘটনা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আন্ডারমাইন্ড করা বা দুর্বল করা এটা একটা লক্ষ্য ছিল। সেটা তাদেরই থাকতে পারে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না অথবা একটা দুর্বল রাষ্ট্র হিসেবে এ দেশকে দেখতে চায়।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে যারাই জীবন দিয়েছেন তারা চিরস্মরণীয় ও চিরভাস্বর। পিলখানার নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল তা খুঁজে বের করার জন্য তৎকালীন সরকার কমিটি করেছিল। শেষ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।”