স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে দূতের সাক্ষাৎ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:২৮ পিএম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি তিস্তা প্রকল্পের উন্নয়নে চীনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে মঙ্গলবার এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়। আলোচনায় গুরুত্ব পায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন, সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আমিনবাজার পানি শোধনাগার সচল করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো। এছাড়াও এ সময় স্থানীয় সরকারের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশে চীনের বিভিন্ন প্রকল্প চলমান আছে। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা কীভাবে আরও বাড়ানো যায় সে চেষ্টা চলছে। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন খাতে চীন কীভাবে আরও বেশি সহযোগিতা দিতে পারে সে বিষয়টি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, “স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতায় চীনের সহযোগিতায় ইতোমধ্যে একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। এ সব প্রকল্পে সহযোগিতা আরও কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায়, সে চেষ্টা চলছে।
“বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছে। চীন তিস্তা প্রকল্পে নিজ উদ্যোগে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে তখন বিস্তারিত জানানো যাবে” বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “চীন বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে”।