× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আওয়ামী লীগ আমলের অস্ত্রের লাইসেন্স যাচাই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৫ পিএম

সচিবালয়ে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আলোচনার বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

সচিবালয়ে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আলোচনার বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় (২০০৯ থেকে ২৪ সাল) যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সরকার যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় যেগুলো পেয়েছে, সেগুলো বাতিল হবে।  

“আমরা আজকেই সার্কুলার ইস্যু করব, জেলা পর্যায়ে যাবে, সমস্ত পর্যায়ে যাবে” বলেন মন্ত্রী।  

সচিবালয়ে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে যে সমস্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে, সেই আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সগুলো আমরা আবার ভেরিফিকেশন করব—এটা যথাযথ হয়েছে কি না। এবং সেই লাইসেন্সের মাধ্যমে প্রায় সব লাইসেন্সের অধীনে হয়তো অস্ত্র ক্রয় করা হয়েছে, এমনও আছে কিছু কিছু লাইসেন্সই আছে।

“হয়তো অস্ত্র ক্রয় করেনি সেরকম সংখ্যা কিছু থাকতে পারে। তা আমরা আশা করি এই কাজটা আমরা খুব দ্রুততার সাথে করতে পারব। কারণ এই লাইসেন্সধারী কারা এবং তাদেরকে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে কি না—তারা লাইসেন্স পাওয়ার উপযুক্ত কি না— আইন অনুসারে সেগুলো সবই যাচাই-বাছাই করা হবে এবং এইটা স্ক্রুটিনি করার পরে আমরা সেই লাইসেন্স কী পরিমাণ লাইসেন্স যোগ্যতা আছে তাদের লাইসেন্স বহাল রাখার সেই পরিমাণে আমরা বহাল রাখব।”

যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অস্ত্র নিলে সেগুলো বাতিল করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “যেগুলো দেখা যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যে তাদের লাইসেন্স দেয়াটা ঠিক হয় নাই, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নাই, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করার উদ্দেশ্যে হয়তো অন্যভাবে তারা লাইসেন্স পেয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়, সেই বিবেচনায় যারা পেয়েছে সেগুলো বাতিল করা হবে এবং একই সাথে সেই লাইসেন্সের অধীনে অস্ত্র থাকলে সেটাও বাজেয়াত্ব হবে অ্যামনিশনসহ। আর সেটা আমরা আজকেই সার্কুলার ইস্যু করব জেলা পর্যায়ে যাবে সমস্ত পর্যায়ে যাবে।”

প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে লাইসেন্স নেওয়া অস্ত্রের সংখ্যা কত হতে পারে—এমন প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক।

“এটা এখনো আমরা নির্ধারণ করতে… আমরা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছি এগুলা কতগুলো লাইসেন্স আছে, লাইসেন্সধারী অস্ত্র কত আছে, কত জমা হয়েছে, ইন্টেরিম গভর্মেন্টের সময় একটা আদেশ দিয়েছিল সে আদেশের সময় দেখা গেছে যে বৈধ লাইসেন্সধারী অস্ত্রের মধ্যে আমার জানা মতে প্রায় ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র জমা হয়নি। এটা আইনানুকভাবে অবৈধ হয়ে গিয়েছে সেগুলো উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সে ব্যাপারে মামলাও করা যেতে পারে সেটা কোথায় কি অবস্থা আছে ইন্টারিম গভমেন্টের সে পদক্ষের ব্যাপারে কতগুলো মামলা হয়েছে এগুলো সব আমরা এখন রেগুলার করব।

“আর পুলিশের সব পর্যায়ে আমাদের জনবলের অভাব আছে। এখন আপাতত ইমিডিয়েটলি আমরা ২৭০১ জন কনস্টেবলের পদ খালি আছে, সেটা জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য আগের বিদ্যমান প্রক্রিয়ায় সেটা আমরা নির্দেশ দিয়েছি। সেটা শুরু হবে।”

দলিল লেখকদের মতো পাসপোর্টের নিবন্ধিত সহায়তাকারী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পাসপোর্ট নিয়ে প্রায় সময় জনগণের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকমের অভিযোগ আসে। ইদানিং অবশ্য কম যেটা ই-পাসপোর্ট হয়ে যাওয়ার পরে। আগে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের সময় ছিল। আমাদের জনসংখ্যার অধিকাংশই এখনো অনলাইনে ইলেকট্রনিকভাবে এপ্লিকেশন করতে অভ্যস্ত নয়। সেজন্য কারো কারো সহযোগিতা নিতে হয়। কোনো কোনো যারা আছে অনলাইনে কাজ করে। কিছু এটাও একটা পেশার সৃষ্টি হয়েছে, যে তারা এই কাজগুলো করে নিজেরা কিছু আয়-রুজির ব্যবস্থা করে এবং সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

“কিন্তু তাদের মাধ্যমে এমনকি পাসপোর্ট অফিসের কিছু লোকজন তাদের যোগসাজশে জনগণের মধ্যে একটু ভোগান্তির সৃষ্টি হয়, সেটা এখনো আছে, অভিযোগ পাওয়া যায়। সেটা নিরসন করার জন্য আমরা আলোচনা করে একটা পন্থা বের করেছি, সেটা পরীক্ষামূলকভাবে আমরা দেখতে পারি। আগে ঢাকা এবং বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের পাসপোর্ট অফিসগুলোতে সেটা আমরা পরীক্ষা করে আমরা যদি সেটা চালু করি তাহলে ভবিষ্যতে সেটা সারা দেশে আমরা করতে পারব।

 “সেটি হচ্ছে আমরা অনেক সময় যেমন দেখি যে রেজিস্ট্রি অফিসের বাইরে যেমন দলিল লেখক থাকে তাদের রেজিস্ট্রেশন থাকে নাম্বর থাকে। কোথাও কোনো অনিয়ম হলে তাদেরকে অ্যাকাউন্টেবল করা যায়, ধরা যায় এবং বিভিন্নভাবে তাদেরকে লায়েবল করা যায়। সেইরকম কোনো সিস্টেমের মাধ্যমে এখানে অনেকটা সহজীকরণ ব্যবস্থা আর কি। এনলিস্টেড সহায়তাকারীর ব্যবস্থা করা যায় কি না পাসপোর্ট অফিসগুলোর বাইরে, সেই দলিল লেখকদের আদলে, তাহলে কিছু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, জনগণের জন্য সহজ হয় সহজীকরণ হয়, তারা সেবাটা সহজে পেতে পারে। সেই হিসেবে হয়তো তারা একটা নির্ধারিত কাজের জন্য সার্ভিস চার্জ নিতে পারে, সেটাও ঠিক করে দেওয়া হবে। এটা আমরা পরীক্ষা করে দেখছি, যাতে করে পাসপোর্টের বেশি মানুষের ভুগান্তিটা না হয়।”

 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা