নতুন সরকার
দীপক দেব
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৩ এএম
নতুন সরকারের অগ্রাধিকার সম্পর্কে মতামত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফের গণতন্ত্রের পথে যাত্রা হয়েছে। দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত গত তিনটি নির্বাচন অনেকের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি করেছিল। সেই প্রেক্ষপটে ২০২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানের প্রায় দেড় বছর পর ২৯৯ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সব শঙ্কা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সারা দেশে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি পক্ষের আগ্রহেরও কোনো কমতি ছিল না। এই বাস্তবতায় ভোটের মাঠে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞ বিএনপি অন্যদের থেকে ভালো করবেÑ এটা অনুমান করা যাচ্ছিল। তবে ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২০৯টি আসনে বিএনপির ভূমিধস জয় অনেকেই বিস্মিত করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির এই জয়ের পেছনে অনেকগুলো কারণ কাজ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গত ১৭ বছরের অত্যাচার-নির্যাতনের পরও বিএনপির ঐক্য অটুট ছিল। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সাধারণ মানুষকে বিএনপির প্রতি আরও বেশি অনুভূতিপ্রবণ করেছে। এর সঙ্গে তারেক রহমানের নির্বাসন, খালেদা জিয়ার প্রতি গত সরকারের রূঢ় আচরণÑ সব মিলিয়ে বিএনপির প্রতি আলাদা সিমপ্যাথি তৈরি করে। এর সঙ্গে ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি এবং দলটির নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার আশ্বাসও ছিল একটি কারণ। পাশাপাশি নারী ভোটার ও সংখ্যালঘু ভোটাররাও বিএনপিকে নিরাপদ মনে করায় দলটির বড় জয়ে ভূমিকা রেখেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বড় জয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির ওপর প্রত্যাশার চাপও তৈরি হবে।বিশেষ করে গত দেড় বছরে অরাজনৈতিক সরকারের আমলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক অবস্থায় এসে পৌঁছে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিদেশি বিনিয়োগের ঘটতি অর্থনীতিকে যে সংকটের মধ্যে ফেলেছে, তা থেকে দেশকে দ্রুত বের করে আনার ওপরও নতুন সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারা বলছেন, মূলত এই দুই জায়গায় সমাধানের সঙ্গে সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো সমস্যাগুলোও আস্তে আস্তে সমাধানের দিকে চলে আসবে। তাই বিএনপিকে এ দুটি জায়গায় গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা সাজানো উচিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিরতিহীনভাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘দেশের নির্বাচনের ইতিহাসে যেকোনো মানদণ্ডে এবার ভালো একটি নির্বাচন হয়েছে।’ এদিকে নির্বাচনের পর ভোটের ফলাফল ও ভোটের হার তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের সংসদীয় ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’ ২৯৭ আসনের দলভিত্তিক আসন চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়লাভ করেছেন।’
জনগণের প্রত্যাশা পূরণের আশ্বাস বিএনপির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের এই বিজয়কে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের যে আস্থা, সমর্থন ও ভালোবাসা আমাদের নেতা তারেক রহমান পেয়েছেন, তাতে ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন। জনগণের প্রত্যাশা প্রতিপালনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব সরকার নিশ্চিত করবে। দীর্ঘ গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় অনেক গুম, খুন, হামলা-মামলা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের অনেক শহীদের ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে এই সরকার গঠিত হবে। আমাদের নেতা শহীদদের মায়েদের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।’
বিএনপির আরও বড় সাফল্য অর্জনের সুযোগ রয়েছে
বিএনপির এই বড় জয় প্রত্যাশিত ছিল বলে মনে করেন রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ। কারণ হিসেবে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জনগণের বিশাল ম্যান্ডেট পেয়েছে। বিএনপির প্রতি জনগণের এই যে বিশাল ম্যান্ডেট বা সমর্থন, সেই সমর্থনের ভিত্তি বুঝে রাজনীতি করলে দলটির জন্য রাজনীতি করাও অনেক সহজ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই সহনশীল এবং তারা কোনো ধরনের চরমপন্থা বা এক্সট্রিমিজম পছন্দ করে না। তবে নির্বাচন হতে দেড় বছর দেরি হওয়ায় কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা তৈরি হয়েছে। যার মধ্যে একটি বড় বিষয় মব ভায়োলেন্স। এ কারণে বাংলাদেশের নেগেটিভ ইমেজও তৈরি হয়। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য কমেছে, দেশি-বিদেশি দুই ধরনের বিনিয়োগও কমেছে।
এখন যেটা দরকার, তাহলো দ্রুত এই নেগেটিভ ইমেজ থেকে দেশকে বের করে আনা, এই ইমেজের পরিবর্তন ঘটানো। সেটা খুবই সহজ, এজন্য দরকার স্ট্যাবিলিটি। যত তাড়াতাড়ি আমরা স্ট্যাবিলিটি ফিরিয়ে আনতে পারব, বিনিয়োগকারীরাও তত দ্রুতই ফিরে আসবেন।
কারণ এ সময়ে যারা বিনিয়োগের জন্য হোমওয়ার্ক করেছেন, প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারাও দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। গত দেড় বছরে বেশ কিছু চুক্তি হয়েছে, বিনিয়োগের সিদ্ধান্তের কথাও অনেকে জানিয়েছেন। কিন্তু বিনিয়োগকারীরা একটি নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করছিল।
তাই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলে বিনিয়োগ বাড়বে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সাহায্য করবে। বিনিয়োগ এলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। বেকারত্ব কমবে, যা অর্থনীতিকেও গতিশীল করবে। সেই সঙ্গে গত দেড় বছরের সহিংসতায় দেশের যে ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাও পুনরুদ্ধার হবে।
একই সঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে বিএনপি এবারই প্রথম ক্ষমতায় আসেনি, এর আগেও তারা ক্ষমতায় এসেছে। দেশ পরিচালনায় তাদের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলও আস্থা ফিরে পাবে। তবে বিএনপি আগে ক্ষমতায় থাকলেও গত ১৮ বছরে পৃথিবী অনেক বদলে গেছে। বর্তমান বিশ্ব একটি ‘ফ্লুইড মাল্টিপোলার’ (পরিবর্তনশীল বহুমুখী) কাঠামোর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
এই নতুন বিশ্বব্যবস্থাকে মোকাবিলা করার জন্য সরকারের মধ্যে ব্যাপক পেশাদারত্ব, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশের যে কাঠামো তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে দলটির আরও বড় সাফল্য অর্জনের সুযোগ রয়েছে। জনগণ বিএনপিকে যে বিপুল ভোট দিয়েছে, তারা এখন সেই ম্যান্ডেটের বিপরীতে দ্রুত সুফল বা রেজাল্ট দেখার অপেক্ষায়।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দল নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিতে হবে
নিরঙ্কুশ বিজয়ের মধ্যে বিপদ-আপদ আছে এমন মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, নিরঙ্কুশ ক্ষমতা সব সময় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো হয় না। তারপরও আমরা মনে করি, তারেক রহমান নিজেও বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবেন। এর পাশাপাশি দলের মধ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বিশেষ করে দলের মধ্যে কেউ যদি চাঁদাবাজি, দখলদারি, দুর্নীতির মতো কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এটা বিএনপির জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সম্ভব। আমরা আশা করতে চাই, তারেক রহমান দীর্ঘদিন নির্বাসনে থেকে যে কষ্ট ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন তার আলোকেই তিনি দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রাখবেন।
বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার অতীত অভিজ্ঞতায় সমস্যা মোকাবিলা সহজ হবে
বিএনপির এই বিশাল বিজয় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, এই বিজয়ের পেছনে রয়েছে প্রথমত তারেক রহমানের নেতৃত্ব। তিনি লন্ডনে থাকার সময় থেকেই যেভাবে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ভূমিকা রেখেছেন, দেশে ফেরার পরও সেই ঐক্য অটুট রাখতে সক্ষম হয়েছেন। দেশে ফেরার পর অর্থাৎ তার উপস্থিতিতে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল দৃঢ় হয়েছে। আর কোথাও যদি কোনো বিভেদ-দূরত্ব থাকে তাও দূর হয়ে যায়। ফলে একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তির যে গতি, তা মানুষকে আকৃষ্ট করেছে। আরেকটি বিষয় হলোÑ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু। নির্বাচনের আগে আগে তার এই বিদায় মানুষকে বিএনপির প্রতি আরও বেশি অনুভূতিপ্রবণ করেছে। বিএনপির জন্য বিষয়টি সিমপ্যাথি তৈরি করেছে। এ ছাড়া দীর্ঘ ১৭ বছর দলটির নেতাকর্মীদের প্রতি নির্যাতন, তারেক রহমানের নির্বাসন, খালেদা জিয়ার প্রতি বিগত সরকারের রূঢ় আচরণÑ সব মিলিয়ে বিএনপির প্রতি আলাদা সিমপ্যাথি তৈরি করেছে।
আর একটি বড় বিষয়ের দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। সেটি হলোÑ নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে জামায়াতে ইসলামী অনেক এগিয়ে ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারেক রহমান দেশে ফেরার পর নির্বাচনী প্রচারণায় যে কৌশলগুলো তিনি অবলম্বন করেছেন, তাও বিএনপিকে এগিয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া পে-স্কেল নিয়ে তার বক্তব্য, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য পরিকল্পনাÑ সব মিলিয়ে বিএনপি এগিয়ে গেছে; যা তাদের এই ভূমিধস বিজয়ে ভূমিকা রেখেছে।
জামায়াতে ইসলামীও তুলনামূলকভাবে এবারে অনেক ভালো করেছে। অতীতের সব সময়ের তুলনায় এবারে তাদের সংসদীয় আসন সংখ্যা বেড়েছে, ভোট বেড়েছে। এজন্য তাদের গোছানো রাজনৈতিক কৌশল বড় ভূমিকা রেখেছে। তাদের যে উত্থান, এর পেছনের মূল বিষয়Ñ তাদের প্রস্তুতি। তারা বিএনপির চেয়েও অনেক আগে নিজেদের নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছিল। বলা যায়, প্রায় দুই বছর আগে থেকেই তারা নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় ছিল। তাদের আসনভিত্তিক প্রার্থীদেরও অনেক আগেই মনোনীত করেছিল; যা নির্বাচনি কৌশলে দলটিকে এগিয়ে রাখে। এ ছাড়া দলটির দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তারা এবারে একটা লিবারেল ফেস দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আগে তাদের যে রক্ষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তুলনামূলকভাবে তারা সে জায়গা থেকে অনেক বেশি লিবারেল ভূমিকা রেখেছে। ফলে দলটির ভোট এবং আসনসংখ্যা বেড়েছে।
নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক সংকট, ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি, দুর্নীতি দমন, রাজনৈতিক অস্থিরতার যেসব সমস্যা রয়েছে, বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার অতীত অভিজ্ঞতায় এসব সমস্যা মোকাবিলা করা খুব কঠিন হবে বলে মনে হয় না।
বিএনপির সামনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জোবাইদা নাসরীন তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, শেখ হাসিনার সময় যে কতৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা লক্ষ করা গেছে, এমনকি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও দেখা গেছে, সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সঙ্গে অর্থনৈতিক বিষয় জড়িত। এজন্য এগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে।