বাসস
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৫৭ পিএম
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি
সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার ও জাতীয় মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের অবদান আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। এ উপলক্ষে বাহিনীর সকল পর্যায়ের সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা সততা, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে”।
তিনি উল্লেখ করেন, “১৯৯৫ সালে ‘গার্ডিয়ান অফ সি’ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সাগর ভিত্তিক অর্থনীতির সুরক্ষা ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশের সার্বভৌম জলসীমা সংরক্ষণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে”।
তিনি বলেন, “সীমিত জনবল ও জলযান নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে সময়ের পরিক্রমায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৌশলগত দক্ষতা অর্জন এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড একটি পূর্ণাঙ্গ বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
“সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান ও মানবপাচার দমন, মাদক প্রতিরোধ, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, অভয়ারণ্য বাস্তবায়ন এবং জাটকা ও ইলিশ রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ভূমিকা প্রশংসনীয়। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে এ বাহিনী দ্রুততা ও পেশাদারিত্বের সাথে সেবা দিয়ে থাকে”।
তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তীকালে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ সর্বসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ডের ভূমিকার জন্য এ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।
বাণীতে তিনি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।