× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কঠোর নিরাপত্তায় ভোটযুদ্ধ

নূর মোহাম্মদ মিঠু

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৪০ এএম

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৮ এএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেকোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি মাঠে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। বুধবার রাজধানীর মিরপুর বাংলা কলেজ এলাকা থেকে তোলা। প্রবা ফটো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেকোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি মাঠে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। বুধবার রাজধানীর মিরপুর বাংলা কলেজ এলাকা থেকে তোলা। প্রবা ফটো

আজ ১২ ফেব্রুয়ারি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দেশজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়। রাস্তায় রাস্তায় চেকপোস্ট-তল্লাশি, মোড়ে মোড়ে সশস্ত্র টহল, আকাশে হেলিকপ্টারের চক্করে সারা দেশেই জোরদার করা হয়েছে নজরদারি। মাঠে নেমেছে ৬ বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্যের সমন্বিত বাহিনী। বার্তা একটাই, আইনভঙ্গ করলে রেহাই নেই।

তিনশ (একটি স্থগিত থাকায় ২৯৯) আসনেই লাল-হলুদ-সবুজ ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত ৪২ হাজার ৭৬৯টি কেন্দ্র ঘিরে জোরদার করা হয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। ভোটারদের নিরাপত্তায় কঠোর প্রহরা, থানাভিত্তিক স্ট্রাইকিং ফোর্স, আর সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই কঠোর অবস্থান চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সাত দিনের এই ‘সিকিউরিটি উইন্ডোতে’ একযোগে কাজ করছে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসার-ভিডিপির সদস্যরা। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অধীনে কেন্দ্রের নিরাপত্তা থেকে মোবাইল টহল, সবই চলছে সমন্বিত কমান্ডে। আইনভঙ্গের চেষ্টা হলেই তাৎক্ষণিক ও কঠোরভাবে দমন করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

সারা দেশে একযোগে ৪২ হাজার ৭৬৯টি কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ। এসব কেন্দ্রের ঝুঁকি বিশ্লেষণে ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্রকে আগেই ‘লাল’Ñ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ১৬,৬৭৫টি ‘হলুদ’Ñ গুরুত্বপূর্ণ এবং ১৭,৩২৪টি ‘সবুজ’Ñ সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। যে কারণে ঝুঁকিভেদে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৫ থেকে ১৭ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুর্গম ২৫ জেলায় প্রতি কেন্দ্রে রাখা হয়েছে ১৬ থেকে ১৮ জন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। কেন্দ্র ডিউটিতে ৯৪, ৩০০ জন, মোবাইল ডিউটিতে ২৮,০০০ জন এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৭,৭০০ জন সদস্য ভোটের মাঠে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, এটি কার্যত ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা চাদরÑ স্ট্যাটিক ফোর্স, মোবাইল টিম এবং থানাভিত্তিক স্ট্রাইকিং ফোর্স। যেকোনো সহিংসতার ইঙ্গিত মিললেই নেওয়া হবে তাৎক্ষণিক অ্যাকশন।

নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, সারা দেশে মোট ৯ লাখ ৫০ হাজার ৫৯২ জন সদস্য কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ জন, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩,৭৩০, বিজিবির ৩৭,৪৫৩, কোস্ট গার্ডের ৩,৫৮৫, পুলিশের ১,৮৭,৬০৩, র‌্যাবের ৯,৩৪৯ এবং আনসার ও ভিডিপির ৫,৫৬,১২৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ১,৯২২ জন বিএনসিসি ক্যাডেট ও ৪৫,৮২০ জন গ্রাম পুলিশও মাঠে সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১,০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে বিশেষ ফুটপ্যাট্রলিং, মোটরসাইকেল টহল ও অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি জোরদার রয়েছে। সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে চলছে তল্লাশি। বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় হেলিকপ্টার মহড়ার মাধ্যমেও নজরদারি বাড়িয়েছে সেনাবাহিনী।

কঠোর নজরদারির মধ্যেও ঢাকার ১৩টি সংসদীয় আসনের ১ হাজার ৪০০টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে গতকাল জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এসব কেন্দ্রে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। তিনি আরও জানান, ঢাকায় ৮০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। 

ডিএমপি জানিয়েছে, নির্বাচন ও ভোটগ্রহণ ঘিরে রাজধানীতে চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। ২৬ হাজার ৫১৫ জন সদস্য বিভিন্ন দায়িত্বে মোতায়েন রয়েছেন। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রের ভেতরে নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি কেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ও রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটÑ বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াট, কে-৯ ইউনিট ও ক্রাইম সিন ভ্যানও মাঠে মোতায়েন রয়েছে। সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে কি নাÑ এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির মুখপাত্র মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, আমরা কোনো হুমকি বা ঝুঁকির আশঙ্কা করছি না। আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে। 

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, ভোট-গণভোট নিরাপদ ও সুষ্ঠু করতে পূর্ব অভিজ্ঞতা ও অংশীজনের মতামত নিয়ে বিস্তৃত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে স্ট্যাটিক ফোর্স, এলাকায় মোবাইল টিম এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিংও জোরদার করা হয়েছে। সবার আগে ও ঊর্ধ্বে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে অন্তত চার জেলার পুলিশ সুপার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দখলচেষ্টা বা সহিংসতা দেখলেই তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না। 

র‌্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সারা দেশে র‌্যাবের প্রায় ৭০০টি টহল দল কাজ করছে। প্রতিটি ব্যাটালিয়নে স্ট্রাইকিং ফোর্স রিজার্ভ রাখা হয়েছে। সদর দপ্তরে ৩০টি টহল দল সেন্ট্রাল রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও কক্সবাজারে প্রস্তুত রয়েছে ডগ স্কোয়াড। সারা দেশকে সাত জোনে বিভক্ত করে প্রস্তুত রয়েছে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। যারা সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক হুমকিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, নির্বাচনকালীন যেকোনো নাশকতা, সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে বিজিবি। সর্বোচ্চ সংখ্যক টহল ও চেকপোস্ট স্থাপন করে ভোটারদের শঙ্কামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে কিংবা পথে ভোটারদের সঙ্গে সহিংস আচরণ করা কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। 

এবার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৫৬ হাজার ১২৭ জন সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরের ৪টি জোনের ৩৬ থানার ২,১৩১টি কেন্দ্রে ২৭,৭০৩ জন সদস্য নিয়োজিত। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে প্রশিক্ষিত আনসার-ভিডিপি সদস্য ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশপথ তদারকি ও প্রাথমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। বাহিনীটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, কেন্দ্রের নিরাপত্তায় অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে কঠোর অবস্থানে আনসারÑভিডিপির সদস্যরা। 

পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা গতকাল রাতে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, দ্বাদশ নির্বাচনের তুলনায় এবার জনবল, প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত মোতায়েনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য সরাসরি নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে ভূমিকা রাখবে পুলিশ। দলমত বিবেচনায় নেওয়া হবে না। 

নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশ সদস্যদের জন্য নির্দেশনা, না মানলে ব্যবস্থা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছ পুলিশ সদর দপ্তর। তাদের ২২ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলা, উপহার নেওয়া, ব্যক্তিগত পছন্দ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালককারী পুলিশ সদস্যদের। এসব কাজ থেকে বিরত না থাকলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

পুলিশ সদর দপ্তরের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা প্রার্থী অথবা প্রার্থীর এজেন্ট কিংবা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপঢৌকন বা অন্য যেকোনো সুবিধা নিতে পারবেন না। প্রার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলা, আলাপচারিতা বা ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে না। ভোটার বা নির্বাচন কর্মকর্তার কাজে অযথা হস্তক্ষেপ করা যাবে না। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে পুলিশ সদস্যদের।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটারকে কোনো প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রভাবিত করা যাবে না। কোনো ধরনের রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সমর্থকদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করা যাবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যাওয়া পর্যন্ত বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর মিছিলে অংশগ্রহণ বা কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা যাবে না।রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ প্রকাশ বা কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর কোনো আচরণ করা যাবে না। নির্বাচনী আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী কোনো নির্দেশনা পালন করা যাবে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক পোস্ট, শেয়ার বা কমেন্ট করা যাবে না। দায়িত্বকালে অপ্রয়োজনে ফোন ব্যবহার বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকা যাবে না।

এ ছাড়া ভোটগ্রহণের দিন ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মোবাইল ফোন ব্যবহার একদমই নিষিদ্ধ থাকবে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক আচরণ বা অসদাচরণ করা যাবে না। নির্বাচন-সংক্রান্ত সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। ভোটের ফলাফল বা সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী সম্পর্কে পূর্বানুমান-কথোপকথন করা যাবে না। অফিসিয়াল রিকোয়েস্ট ছাড়া কোনো অবস্থায়ই স্পর্শকাতর ঘটনার ছবি ও ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। কোনো ধরনের ব্যক্তিগত আলাপে মশগুল হওয়া যাবে না। একত্রে জড়ো হয়ে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি করা যাবে না। জনসমাগম স্থল, খোলা জায়গায় যত্রতত্র খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। ফুটপাত কিংবা টং দোকানে বসা যাবে না।

নির্দেশনায় বাদাম, ভাপাপিঠা, চানাচুর, জিলাপি, বিস্কুট, কলা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার খাওয়া, অশোভন পোশাক পরিধান ও অপেশাদার কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা