প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৬ পিএম
‘নামসর্বস্ব’ বেসরকারি সংস্থা পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্টের (পাশা) এক কক্ষের কার্যালয়। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বরমপুর গ্রামে। ছবি: প্রথম আলো
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ‘নামসর্বস্ব’ বেসরকারি সংস্থা পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্টের (পাশা) ১০ হাজারেরও বেশি পর্যবেক্ষক কার্ড স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে শনিবার রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ইসি সচিব আখতার আহমেদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানান। এর আগে যমুনায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, “পাশা নামের একটি এনজিও ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবে বলে বলেছিল। নির্বাচন কমিশন থেকে তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে তাদের সক্ষমতা সম্পর্কে ইসি নিশ্চিত হতে পারেনি। এ জন্য তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণ স্থগিত করা হয়েছে”।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত তাদের ব্যাপারে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাদের ব্যাপারে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার প্রথম আলোয় ‘এক ব্যক্তিনির্ভর “পাশা” দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজের বাসার একটি কক্ষকে সংস্থার কার্যালয় বানিয়েছে এক ব্যক্তিনির্ভর ওই সংস্থাটি। এটি সে অর্থে কার্যালয় নয়, মূলত সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবীরের বাসা। লোকবল বলতে তিনি একজনই। অথচ এই সংস্থা এবারের সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১০ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক দিচ্ছে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ইসি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রথম আলো জানায়, প্রতিবেদন প্রকাশের পর তারা ওই সংস্থাটিকে কীভাবে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল তা খতিয়ে দেখে। তা ছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা আছে কি না, তা মাঠপর্যায়েও খোঁজ নেয়। সেখান থেকে নেতিবাচক প্রতিবেদন আসে।