প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:২৭ পিএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৮ পিএম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জলবায়ু পরিবর্তন, রাবার ড্যাম নির্মাণ, দূষণ ও অনিয়ন্ত্রিত এবং অতিরিক্ত মাছ আহরণের কারণে হালদা নদী ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এ অবস্থা নিরসনে হালদা পাড়ের মানুষ, নদীতে জীবিকা নির্বাহ করা জেলে, হ্যাচারি ও মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মিলিত কাজের মাধ্যমে নদীকে রক্ষা করতে হবে বলে আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
ঢাকার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) ‘হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের গবেষণা প্রস্তাবনা পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক ইনসেপশন কর্মশালায় শনিবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, “মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের কাজ কেবল অর্থনীতি বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়, এটি ধর্ম, সংস্কৃতি ও সামাজিক আচরণের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। আমরা যে মৎস্যসম্পদ নিয়ে কাজ করি, তা আমাদের সামগ্রিক জীবনবোধেরও অংশ”।
তিনি বলেন, “হালদা নদী সাধারণ মানুষের সম্পদ। তাই গবেষণার উপস্থাপনা ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন এমন ভাষায় হওয়া উচিত, যা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝতে পারে”।
সামাজিক-অর্থনৈতিক গবেষণায় নারীদের অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, “হালদা পাড়ের বাস্তবতা বোঝার জন্য সেখানকার নারীদের অভিজ্ঞতা ও অবস্থান বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সামাজিক-অর্থনৈতিক গবেষণা পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না”।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. ইমাম উদ্দীন কবীর, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ প্রমুখ।