× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

একাধিক প্রশ্ন রেখেই প্রস্তুতি শেষ ইসির

দীপক দেব

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩০ এএম

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যেসব অভিযোগ বা শঙ্কার কথা বলছে; সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যেসব অভিযোগ বা শঙ্কার কথা বলছে; সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে এখনও অনেক প্রশ্ন থাকলেও ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে শুধু রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীরাই নন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনি পরিবেশ ও দায়িত্বশীলদের নিরপেক্ষতা নিয়েও কোনো কোনো প্রার্থী এখনও প্রশ্ন তুলছেন। পাশাপাশি নির্বাচন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও অপতথ্য নিয়েও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ; সেগুলোর বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে ইসিকে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যেসব অভিযোগ বা শঙ্কার কথা বলছে; সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। ছোট-বড় সব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সমাধান করতে ইসিকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র চার দিন বাকি। সেই হিসেবে ইসির পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হবেÑ এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রশ্ন হচ্ছেÑ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ একটা নির্বাচন করতে আরও কিছু বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা এখন ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। নির্বাচনি কার্যক্রমে যুক্ত দায়িত্বশীলদের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের বিষয়টিও সামনে এসেছে। তাই বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ইসিকে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। 

নিরপেক্ষতা ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন

আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরুর পর থেকেই নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে। বিশেষ করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগ করে আসছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু বকর সরকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার সহকারী এ রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

এদিকে সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতিসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষক দল। বৈঠকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

অপতথ্য রোধে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেই

এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা ভুয়া ভিডিও, বিকৃত ছবি ও মিথ্যা বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ রাজনৈতিক শীর্ষ নেতাদের জড়িয়েও নানা ধরনের অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। 

নির্বাচন উপলক্ষে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপির ই-মনিটর প্লাস প্লাটফর্মের পর্যালোচনায় উঠে এসেছেÑ তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮৬ হাজারের বেশি এআই-কনটেন্ট (ছবি-ভিডিও) পেয়েছে ইসি। এর মধ্যে ৩৬ হাজারের বেশি কনটেন্টে হিংসাত্মক ও রাজনৈতিক বিদ্বেষমূলক বক্তব্য রয়েছে। এ ধরনের কনটেন্টের ৮৯.৮৮ শতাংশ ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে। বাকি ১০ দশমিক ১২ শতাংশ প্রকাশ করা হয়েছে এক্সে (সাবেক টুইটার)। এ ধরনের কনটেন্টের বিরুদ্ধে ইসিকে এ পর্যন্ত দৃশ্যমান বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কাছে সেগুলো পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অপতথ্য বা তথ্যের অপপ্রচারকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অপতথ্য বা তথ্যের অপপ্রচার। আমরা চেষ্টা করছি এবং আশা করি এটাকে একটা সম্মানজনক পরিস্থিতিতে নিয়ে যেতে পারব।’

এখনও উদ্ধার হয়নি লুট হওয়া সব অস্ত্র

নির্বাচন সামনে রেখে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে। নানা ধরনের দেশীয় অস্ত্র ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশের যেসব আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হয়েছিল, দেড় বছরেও সেগুলো পুরোপুরি উদ্ধার করতে পারেননি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এক হাজারেরও বেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুই লাখের বেশি গোলাবারুদের এখনও কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। সংসদ নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্রপাতি উদ্ধার না হওয়ায় বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, “এটা সত্য যে একটা প্রেক্ষাপটে অনেক অস্ত্র লুট হয়েছে। কিন্তু যতদূর জানি, অধিকাংশ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কিছুসংখ্যক এখনও আছে, কিন্তু সেটা আমাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি, তা মনে করি না। অস্ত্র উদ্ধার এখনও অব্যাহত আছে।”

সব প্রস্তুতি সম্পন্নÑ বলছে ইসি

নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিয়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন থাকার পরও নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার কথা জানানো হয়েছে ইসির পক্ষ থেকে। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোনো প্রস্তুতি বাকি নেই। তিনি বলেন, “আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। কিছু আসনে এখনও ব্যালট পাঠানো হয়নি, তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে এই কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।” এখন পর্যন্ত ভোট ঘিরে বড় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি বলেও জানান ইসি কমিশনার। ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচনে ভোটের হার ৫৫ শতাংশের কম বা বেশি হতে পারে।”

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তিনি জানান, নির্বাচনের আগে ও পরে মোট সাত দিন সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে, আট দিন আনসার বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। পুলিশ ইতোমধ্যেই মাঠে রয়েছে এবং সেনাবাহিনীও আংশিকভাবে মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ১ হাজার ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হচ্ছে, যারা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তারা। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদেরও ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত দিন মাঠে থাকার কথা রয়েছে। এবার প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন।

ইসি সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি।

পর্যবেক্ষক প্রসঙ্গে ইসি জানায়, ৮১টি দেশি নিবন্ধিত সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। এদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জন কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এবং ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন স্থানীয়ভাবে পর্যবেক্ষণে থাকবেন। এ ছাড়া প্রায় ৫০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষকও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। এবার পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোটদানে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে প্রবাসী ভোটার ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ জন এবং দেশের অভ্যন্তরে আইসিপিভি ভোটার ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৮ জন। ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন প্রবাসী ভোটার ভোটদান সম্পন্ন করেছেন বলে ইসি জানিয়েছে।

যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ছোট-বড় যে ধরনেরই অভিযোগ আসুক না কেন, ইসি তা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত সমাধান করবে বা পদক্ষেপ নেবেÑ এমন পরামর্শ দিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য আব্দুল আলিম। তিনি ইসিকে আইনের মধ্যে থেকে আরও কঠোর ভূমিকা পালনের পরামর্শও দিয়েছেন। 

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, সেজন্য ইসির ভূমিকাকে দুষছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অন্যতম সদস্য ড. বদিউল আলম মজামদার। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘ইসির নমনীয় আচরণ এখানে অনেক বড় সমস্যা। তারা দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন; যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। এ ছাড়া বড় দুই দলের প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতেও উদাসীন। এর ফলে প্রার্থীরা আচরণবিধি ভঙ্গে উৎসাহিত হচ্ছেন। 

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি। তিনি বলেন, ‘শুধু কমিশনের একার পক্ষে ভালো নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এর জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করলে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা খুব কঠিন কাজ নয়।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা