প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৮ পিএম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সভা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের জন্য সুলভমূল্যে গরুর মাংসসহ বিভিন্ন প্রাণিজ পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রতিবছরের মতো এবারও রমজান উপলক্ষে দুধ, ডিম, ড্রেসড ব্রয়লার ও গরুর মাংস ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
এ কর্মসূচির আওতায় প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকা, ড্রেসড ব্রয়লার ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা এবং ডিম প্রতি পিস ৮ টাকা (হালি ৩২ টাকা) দরে বিক্রি করা হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর মাসব্যাপী এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মামুন হাসান গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমজান মাসকে সামনে রেখে মাংস, ডিম ও দুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে।
এছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভমূল্যে প্রাণিজ পণ্য বিপণনের উদ্যোগ নেবেন।
ঢাকা মহানগর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রাথমিকভাবে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রস্তাবিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে— সচিবালয়ের পাশে আব্দুল গনি রোড, খামারবাড়ি (ফার্মগেট), মিরপুরের ষাটফুট রোড, আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার, উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, মতিঝিলের আরামবাগ, মিরপুরের কালশী, যাত্রাবাড়ীর মানিকনগর, বাড্ডার শাহজাদপুর, বনানীর কড়াইল বস্তি, কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও রেল ক্রসিং, নাখালপাড়া, সেগুনবাগিচা, মোহাম্মদপুরের বাবর রোড ও বসিলা, কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং পুরান ঢাকার বঙ্গবাজার।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।