প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:০২ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: বাসস
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারার বিরুদ্ধে আন্দোলনরত ১৫ কর্মচারীকে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। বদলি হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আন্দোলনের দুই সমন্বয়কও রয়েছেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে সোমবার তাদের এই বদলি করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. বেলায়েত হোসেনের সই করা আদেশে জানানো হয়, দাপ্তরিক প্রয়োজনে আটজনকে পায়রা বন্দরে এবং সাতজনকে মোংলা বন্দরে বদলিপূর্বক সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে পৃথক তিনটি আদেশে এই কর্মচারীদের ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও পানগাঁও নৌ টার্মিনালে বদলি করা হলেও তারা কর্মস্থলে যোগ দেননি।
বদলি হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবিরকে মোংলা বন্দরে এবং অপর সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকনকে পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছে। অন্য কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন— মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।
এদিকে, দুবাই ভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত শনিবার থেকে প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। আন্দোলনের ফলে সোমবারও সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বন্দরের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।
এই বদলি আদেশকে আন্দোলন দমানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন। তার ভাষ্য, বদলি প্রত্যাহার ও ইজারা বাতিলের পাশাপাশি বদলির প্রতিবাদে আন্দোলনের গতি বাড়াবে।