প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০২ পিএম
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে এসে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যেসব প্রতিরক্ষা চুক্তি করা হয়েছে, সেগুলো ‘চলমান প্রক্রিয়া’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
এম তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সোমবার বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা কয়েকটি বিষয়ে
জানতে চাইলে এক পর্যায়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের শেষ সময়ে যেসব প্রতিরক্ষা চুক্তি হচ্ছে, সে বিষয়ে নিরাপত্তা উপদেষ্টার বক্তব্য
জানতে চাওয়া হলে তিনি জানতে চান, “কোন ডিফেন্স ডিল?”
তখন ওই সাংবাদিক
চীন, জাপানসহ যেসব দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, তা উল্লেখ করেন। তখন উপদেষ্টা বলেন, “এইটা চলমান প্রক্রিয়া।”
পরবর্তী সরকার যদি
এসব চুক্তি কোনো কারণে এগিয়ে নিয়ে না যায়, তাহলে এই সরকারের প্রতিশ্রুতির কী হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “ইটস অ্যা হাইপোথিটিক্যাল কোশ্চেন।”
ড. খলিলুর রহমান
গত ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হন। বিশ্বে কোথাও কোনো দেশের
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হন কি না—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা তার গাড়িতে উঠে গিয়ে বলেন,
“দুনিয়ার সব দেশে বিমান নাই।”
শান্তিতে নোবেলজয়ী
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিরক্ষা
খাতে একাধিক বড় উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে চীনের সঙ্গে জিটুজি চুক্তিতে ড্রোন কারখানা
স্থাপন, পাকিস্তান থেকে জেএফ১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয়, চীন থেকে জে১০ সিই যুদ্ধবিমান
ক্রয়, ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম থেকে ইউরোফাইটার টাইফুন ক্রয়, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন
ক্রয়, তুরস্ক থেকে টি১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল
হেলিকপ্টার ক্রয়।
এর পাশাপাশি প্রায়
৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ
নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জাপানের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সইয়ের চেষ্টাও চলছে বলে বিভিন্ন
গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে।