প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫২ পিএম
ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মিলন। ফাইল ফটো
আন্তঃসরকার জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল বা আইপিসিসির লিড অথর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মিলন। তিনি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার।
তিনি ২০২৭ সালের আইপিসিসির ম্যাথডলজি রিপোর্ট প্রস্তুতের কাজে অংশ নেবেন। এই রিপোর্টে কার্বনডাই-অক্সাইড রিমোভাল (সিডিআর) এবং কার্বন ক্যাপ্চার, ইউটিলাইজেশন এন্ড স্টোরেজ (সিসিইউএস) প্রযুক্তি কীভাবে দেশগুলো তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করবে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
সহজভাবে বললে, এই কাজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিশ্বের দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেগুলোর কার্বন হিসাব কীভাবে করা হবে, তা এই রিপোর্টের মাধ্যমে তা নির্ধারিত হবে।
মিলনের গবেষণার মূল ক্ষেত্র হলো- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মূল্যায়ন, ক্লাইমেট-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস মডেলিং ও প্রশমন।
তার এই নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় স্বীকৃতি হিসেবে দেখছে বাংলাদেশের জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।
ড. মিলন কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২৫ বছর মেয়াদী ট্রান্সফরমিং এগ্রিকালচার বাংলাদেশ: আউটলুক ২০৫০ প্রস্তুতে অংশ নিয়েছেন।
আইপিসিসির লিড অথর নির্বাচিত হওয়া সম্পর্কে ড. কামরুজ্জামান মিলন বলেন, এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের কৃষি ও জলবায়ু গবেষণা সম্প্রদায়ের জন্য সম্মানের। উন্নয়নশীল দেশের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো বৈশ্বিক নির্দেশিকায় তুলে ধরার সুযোগ এটি।
ড. মিলন আইপিসিসির লিড অথর নির্বাচিত হওয়া ব্রি ও বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি বলে আখ্যায়িত করেছেন ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. খালেকুজ্জামান। তিনি বলেন, ব্রির একজন বিজ্ঞানী আইপিসিসির লিড অথর হওয়া আমাদের কার্যক্রমকে আরও উচ্চ স্থানে নিয়ে গেছে।
ড. মিলনের আইপিসিসির লিড অথর নির্বাচিত হওয়াকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য সম্মানের বিষয় হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন কৃষি সচিব ড. মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান।
উল্লেখ্য, আইপিসিসি হলো- জাতিসংঘের একটি সংস্থা, যা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করে এবং বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারণে সহায়তা করে।