ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০০ পিএম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের কারণে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করার আভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন প্রেক্ষাপটে দলটির সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন পোস্ট্রের এক প্রতিবেদনে এক কথা বলা হয়েছে।
সেখানে বলা
হয়,
জামায়াতে
ইসলামী
বাংলাদেশের
ইতিহাসে
একাধিকবার
নিষিদ্ধ
হয়েছে।
সর্বশেষ
দলটি
নিষিদ্ধ
ছিল
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনার
শাসনামলে।
ছাত্র
আন্দোলনের
মুখে
২০২৪
সালে
হাসিনার
পতনের
পর
রাজনৈতিক
পটভূমিতে
বড়
পরিবর্তন
আসে।
দলটি অতীতে
শরিয়াভিত্তিক
শাসনব্যবস্থা
এবং
নারীদের
কাজের
সময়
কমানোর
মতো
প্রস্তাব
দিয়ে
বিতর্কের
জন্ম
দিলেও
সম্প্রতি
নিজেদের
অবস্থান
বদলানোর
চেষ্টা
করছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের
প্রতিবেদনে
বলা
হয়,
গত
১
ডিসেম্বর
ঢাকায়
এক
নারী
সাংবাদিকদের
সঙ্গে
এক
যুক্তরাষ্ট্রের
কূটনীতিক
বলেন,
বাংলাদেশ
আরও
বেশি
ইসলামমুখী
হয়েছে
এবং
আসন্ন
১২
ফেব্রুয়ারির
নির্বাচনে
জামায়াত
আগের
যেকোনো
সময়ের
চেয়ে
ভালো
করবে।
প্রতিবেদনে এক অডিওর প্রসঙ্গ উল্লেখ করা
হয়, সেখানে ওই কূটনীতিককে
বলতে
শোনা
যায়,
“আমরা
চাই
তারা
আমাদের
বন্ধু
হোক”। তিনি
সাংবাদিকদের
জামায়াতের ছাত্র
সংগঠনের
নেতাদের
মিডিয়ায়
আনার
বিষয়েও
আগ্রহ
দেখান।
জামায়াত ক্ষমতায়
এলে
শরিয়া
আইন
চাপিয়ে
দেবে—এমন
আশঙ্কা
নাকচ
করে
দিয়ে
ওই
কূটনীতিক
বলেন,
যুক্তরাষ্ট্রের
হাতে
শক্তিশালী
অর্থনৈতিক
চাপ
প্রয়োগের
সুযোগ
রয়েছে।
তার ভাষ্য,
জামায়াত
শরিয়া
চাপিয়ে
দিতে
পারবে,
তা
বিশ্বাস
করি
না।
যদি
তারা
উদ্বেগজনক
কিছু
করে
তাহলে
পরদিনই
শতভাগ
শুল্ক
আরোপ
করা
হবে।
এ বিষয়ে
এক বিবৃতিতে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের
দূতাবাসের
মুখপাত্র
মনিকা
শাই
বলেন,
এটি
ছিল
একটি
নিয়মিত
ও
অনানুষ্ঠানিক
আলোচনা।
যুক্তরাষ্ট্র
কোনো
নির্দিষ্ট
রাজনৈতিক
দলকে
সমর্থন
করে
না
এবং
জনগণের
ভোটে
নির্বাচিত
যেকোনো
সরকারের
সঙ্গেই
কাজ
করবে।
জামায়াতের যুক্তরাষ্ট্র
প্রতিনিধি
মোহাম্মদ
রহমান
ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, “একটি
ব্যক্তিগত
কূটনৈতিক
বৈঠকের
কথিত
মন্তব্য
নিয়ে
আমরা
মন্তব্য
করতে
চাই
না”।