প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৫৭ পিএম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সোমবার আয়োজিত দেশের বৃহত্তম ফুল উৎসবে গণভোটের প্রচারণা ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়সংক্রান্ত বিশেষ দূত জনাব লুৎফে সিদ্দিকী। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
গণতন্ত্র মানে শুধু প্রতি পাঁচ বছর পরপর ভোট দিয়ে নতুন স্বৈরাচার তৈরি করা নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়সংক্রান্ত বিশেষ দূত জনাব লুৎফে সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “আমাদের সামনে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা নতুনভাবে নির্ধারণ করার একটা ঐতিহাসিক সুযোগ রয়েছে।”
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সোমবার আয়োজিত দেশের বৃহত্তম ফুল উৎসবে গণভোটের প্রচারণা ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, “আসন্ন নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন পরিকল্পনার মাধ্যমে যেখানে ঘাটতি রয়েছে, সেসব ঘাটতি পূরণে কাজ চলমান রয়েছে।
“গণভোট একটি অত্যন্ত দুর্লভ সুযোগ। আমাদের মনে রাখতে হবে অনেক শহিদ, আহত ও নিহতের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
তিনি বলেন, “এই পাঁচ বছরের মধ্যে নেতারা যেন শোষক না হয়ে জনগণের সেবক হতে পারেন— সে লক্ষ্যে একটি কার্যকর কাঠামো বা রিডিজাইনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ঐকমত্য কমিশনের জুলাই সনদে সেই সিদ্ধান্তগুলোই গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন তো হবেই। কিন্তু এই গণভোটের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনগুলো কার অধীনে হবে— তা নির্ধারণের সুযোগ রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে কি না, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা কেমন হবে, বিচার বিভাগের সক্ষমতা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে— এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।”