× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ভারতের সবুজ সংকেত

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৯ এএম

ভারতের সবুজ সংকেত

রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকতে শেখ হাসিনা বলতেন, ভারতকে যা দিয়েছি, তা তাদের চিরকাল মনে রাখতে হবে। দেওয়ার বিনিময়ে কিছু চাইবার পক্ষপাতী নই। হাসিনার এসব উক্তি ছিল রাজতান্ত্রিক মনোভাবের। যেন তিনি দেশের সম্রাজ্ঞী। তার পছন্দের দেশকে যা খুশি সব দিয়ে দিতে পারেন, কোনো রকম বিনিময় ছাড়াই। অথচ তিনি দেশের মালিক ছিলেন না, ছিলেন জনপ্রতিনিধি মাত্র। তার কাজের জবাবদিহিতা থাকা অপরিহার্য ছিল। কিন্তু তিনি সেসবের ধার ধারতেন না। এই জবাবদিহিতাহীন সরকারের কাছ থেকে একতরফা প্রাপ্তিতে প্রতিবেশী ভারত ছিল বড়ই প্রসন্ন। হাসিনাকে তারা খোলাখুলি সমর্থন করেছেন এবং যেকোনো মূল্যে তাকে ক্ষমতায় রাখতে সব রকমের সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাসিনা ও তার অনুগত অনেককে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেয়নি বাংলাদেশের জনগণ। অভ্যুত্থানের সময় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে দায়ে বিচারে হাসিনাসহ ইতোমধ্যে অনেকের সাজা হয়েছে আদালতে। তবু হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে বাংলাদেশ সরকারের আহ্বান বারবার উপেক্ষা করছে ভারত। দণ্ডাদেশ পাওয়া এসব আসামিকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়নি দেশটি। বরং নোবেলবিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে নানা শত্রুতা ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। তবে আগের দিন আর নেই। শত্রুতার সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার সেই দিন বদলে গেছে। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির নতুন সমীকরণ, যা বাংলাদেশের অবস্থানকে অনেকখানি বদলে দিয়েছে। একসময় ভারত বাংলাদেশকে কার্যত ডিকটেট করত। কিন্তু উপমহাদেশে বর্তমানে দুটি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র-ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয়টি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে প্রবলভাবে চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের পেছনে রয়েছে চীন, আর চীন ভারতকে তার প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে বাংলাদেশে পাকিস্তানের প্রভাব বাড়া মানে কার্যত চীনের প্রভাব বাড়া। এই সমীকরণ ভারতের জন্য কৌশলগত উদ্বেগ তৈরি করেছে।

অন্যদিকে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বিশেষ সম্পর্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের শর্তহীন মিত্রতায়ও কিছুটা ভাটা পড়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের দিকেও ঝুঁকছে। এসব পরিবর্তন মিলিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রও এখন বাংলাদেশের বিষয়ে আগের মতো পুরোপুরি ভারতের ওপর নির্ভরশীল নেই।

এই বাস্তবতা বিবেচনায় ভারত বুঝতে শুরু করেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে বৈরিতা বজায় রেখে তাদের লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও কৌশলগত দিক থেকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও অবনতি হলে ভারতই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তবে ভারতীয় নেতৃত্বের মধ্যে একধরনের ইগো কাজ করছে বলেও বিশ্লেষকদের অভিমত। সেই ইগোর কারণেই তারা প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পুরোপুরি এগোতে পারছে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখনও বৈরী রয়ে গেছে। এই সরকারের সঙ্গে তারা সদ্ভাব গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে।

সামনে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। ভারত মনে করছে, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে তাদের সঙ্গে একটি কার্যকর ‘ওয়ার্কিং রিলেশন’ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সেই লক্ষ্যেই তারা এখন থেকেই উদ্যোগ নিতে শুরু করেছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে তারা একটি উপলক্ষ হিসেবে বেছে নিয়েছে।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোক প্রকাশ করেছেন। এরপর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে শোক বইতে স্বাক্ষর করে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে যোগ দিতে। তার হাত দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পাঠানো ব্যক্তিগত চিঠির মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। খালেদা জিয়া তার জীবদ্দশায় বিভিন্নভাবে ভারতের বৈরিতার শিকার হলেও এখন ভারতীয় নেতারা দুই দেশের সম্পর্ক বাড়াতে প্রয়াত নেত্রীর ভূমিকার প্রশস্তি করছেন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গেও গোপনে দেখা-সাক্ষাৎ করছেন দেশটির কূটনীতিকরা।

এর মধ্য দিয়ে ভারত একটি বার্তা দিতে চাচ্ছেÑ আগামী সরকার, যার নেতৃত্বে বিএনপি আসার সম্ভাবনা বেশি, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে তারা আগ্রহী। অতীতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ভারত থেকে যে ধরনের সমালোচনা করা হয়েছে, তার বিপরীতে এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলছেন, দুই দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে খালেদা জিয়ার অবদান গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, ভোটে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারত আরও অগ্রসর হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্ব বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্য অত্যন্ত জরুরি। তাদের মতে, জাতীয় ঐক্য ছাড়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আবারও কর্তৃত্বমূলক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বর্তমানে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ইসলামী দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী। এই দুই দলের মধ্যে রাজনৈতিক বৈরিতা যদি আরও তিক্ততায় রূপ নেয়, তাহলে জাতীয় ঐক্যে ভাঙন দেখা দিতে পারে। বৈচিত্র্যের মধ্যে দেশের বিভিন্ন দলমতের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করা না গেলে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব হবে না বলে পর্যব্ক্ষেকরা অভিমত দিচ্ছেন। 

এমন প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান দেশে ফেরার পর দায়িত্বশীল বক্তব্য, ঐক্যের আহ্বান এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দিচ্ছেন। তার এই অবস্থান জাতীয় ঐক্যের একটি পরিবেশ তৈরি করেছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে আবারও এক জায়গায় আসার সুযোগ করে দিয়েছে।

এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যু এবং জুলাই সনদের ইস্যুও রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আসন্ন নির্বাচন ও দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে ঐক্যের জায়গা তৈরি করে গেছেন, জামায়াতে ইসলামী সেই পথই অনুসরণ করতে চায়।

এ প্রসঙ্গে সাবেক কূটনীতিক মুন্সি ফয়েজ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, নির্বাচনের পর বিএনপি ক্ষমতায় আসবেÑ এমনটা সবাই ধরে নিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত বাংলাদেশের জনগণের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চাচ্ছে যে, তারা বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। অতীতেও এমন বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে সে সময় তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, ভারত বর্তমান সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতায় যেতে আগ্রহী নয়; বরং তারা ভবিষ্যতের নেতৃত্ব এবং বর্তমান বাংলাদেশের প্রতিই এই বার্তা দিচ্ছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের পক্ষ থেকে যে ধরনের উদ্যোগ দেখা গেছে, তাতে মনে হয় তারা প্রাথমিকভাবে সম্পর্কটি স্থিতিশীল করতে আগ্রহী বলে মনে করেন কূটনীতি ও রাজনীতিবিশ্লেষক এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে নিচের দিকে নেমে গিয়েছিল। দুই দেশের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনার প্রভাব উপ-দূতাবাসগুলোর ওপরও পড়েছিল। কোনো দেশের দূতাবাস আক্রান্ত হলে তা দুই দেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অবজ্ঞার শামিল হয়ে দাঁড়ায়। যেকোনো দেশের জন্যই এটি অস্বস্তিকর।

তার ধারণা, ভারত হয়তো মনে করছে নির্বাচন হলে পরবর্তী সরকারের নেতৃত্বে যিনি থাকবেন, তিনি হচ্ছেন তারেক রহমান। এজন্যই তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে দেশটি আগ্রহী।

তিনি বলেন, ভারতীয় নেতৃত্বের মধ্যে একধরনের ইগো কাজ করছে বলেও বিশ্লেষকদের অভিমত। নতুন বাস্তবতায় সুষম ও মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে তারা নতুন করে কাজ করতে আগ্রহী। এর একটি প্রাথমিক ইঙ্গিত ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভারত কী ভূমিকা পালন করে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ভারত যদি ইতিবাচকভাবে ভোটের পর নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার উদ্যোগ নেয়, তাহলে বোঝা যাবে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসে প্রয়োজনীয় যে পরিমাণ সমন্বয় দরকার, তা করতে তারা আগ্রহী।

এম হুমায়ুন কবির আরও বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে ভারত এখন নতুন করে সম্পর্কটি বিন্যস্ত করতে চায়Ñ এমন ইঙ্গিত মিলছে। বেগম জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের ঢাকা সফর ও শোকবার্তা বহন এবং দিল্লিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে শোকবইতে স্বাক্ষরকে তিনি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন।

শোকবার্তা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের বাংলাদেশে আসাকে অস্বাভাবিক কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালেও ভারত দলটির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিল এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য একটি স্থিতিশীল অবস্থানে ছিল। বিএনপির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভারতের রয়েছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের দু-দুবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং বহু বছর বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার একটি প্রভাব ছিল, সেটাই স্বাভাবিক। সব মিলিয়ে তার প্রতি সম্মান না দেখানোর কোনো কারণ নেই।

ড. ইমতিয়াজ আহমেদের মতে, নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারে আসতে পারেÑ ভারত হয়তো সেভাবেই চিন্তাভাবনা করছে। তখন বোঝা যাবে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ কোন মাত্রায় থাকবে। তবে এক্ষেত্রে দেশের জনগণের একটি প্রত্যাশা রয়েছÑ যেন দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য থাকে, একতরফা না হয় এবং কোনো একক দলকেন্দ্রিক সম্পর্ক গড়ে না ওঠে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যেন জনগণকেন্দ্রিক হয়, সেটাই মানুষের আকাঙ্ক্ষা।

তিনি আরও বলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ভারত একটি নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশই সম্পর্কের শীতলতা কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগ নেবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা