প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৩৭ পিএম
আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৪০ পিএম
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স। ছবি: সংগৃহীত
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মরদেহ রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরে রাখা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৪৯ মিনিটে ওসমান হাদির কফিন বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এরপর সেখানে তার কফিনের পাশে নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এর মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা। পরে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তার মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি হিমঘরে নেওয়া হয়।

এদিকে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর দুইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
তাছাড়া ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘পরিবারের দাবির ভিত্তিতে শহীদ ওসমান হাদীকে কবি নজরুলের পাশে সমাহিত করার ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বাদ জোহর জানাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজকের পরিবর্তে আগামীকাল (২০ ডিসেম্বর) মিছিলসহ ভাইকে সেন্ট্রাল মসজিদে আনা হবে।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগে অংশ নিতে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।