শেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:১৩ পিএম
ওসমান হাদি। ছবি : সংগৃহীত
হাদিকে গুলির ঘটনায় ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে ওসমান হাদীর ওপর বর্বরোচিত এই গুলি হামলা। এটি নির্বাচনী পরিবেশের জন্য একটি অশনি সংকেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

শিবিরের কেন্দ্রীয় সাবেক এ নেতা আরও বলেন, ওসমান হাদি শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেক, দুর্নীতিবিরোধী সংগ্রামের এক দৃপ্ত কণ্ঠস্বর। স্বৈরাচার, দুর্নীতি ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে তার নিরলস অবস্থান তাকে দেশের তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের আশা-ভরসার প্রতীকে পরিণত করেছে। আমরা মনে করি, তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে রুখে দেওয়ার লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। ওসমান হাদীর ওপর হামলা মানে কেবল একজন প্রার্থীকে নয়, এই দেশের প্রতিটি স্বাধীনচেতা নাগরিকের ওপর আঘাত।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার মাত্র একদিন না যেতেই এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিবেশের জন্য একটি অশনি সংকেত। দেশের বিভিন্ন স্থানে যেভাবে প্রার্থীদের ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা চলছে, তার চূড়ান্ত প্রকাশ আমরা ওসমান হাদীর ওপর হামলায় দেখলাম। আমি শেরপুর জেলার একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে এই নির্মম ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে রাশেদুল ইসলাম কলেন, অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িত সকল সশস্ত্র অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। কারা এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে, সেটি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জাতির সামনে উন্মোচন করতে হবে। এবং সকল প্রার্থী ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিবিরের সাবেক এই সভাপতি আরও বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জননিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে আমরা দেশের জনগণের সাথে আছি, এবং যে কোন সন্ত্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার থাকবো ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ কোনো ভাবেই সন্ত্রাস, ভয়ভীতি ও দমননীতির দেশে পরিণত হতে পারে না।এখানে মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেতেই হবে। আমরা মনে করি, নতুন বাংলাদেশে উগ্রতার কোনো স্থান নেই এবং থাকবে না।