প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১০ পিএম
কেপিআই নীতিমালা উপেক্ষা করে জনসমাগম করায় সচিবালয় এলাকা থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের ৪ নেতাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রবা ফটো
সচিবালয়ে সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকার পরেও কেপিআই নীতিমালা উপেক্ষা করে জনসমাগম করায় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের ৪ নেতাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ডিএমপির ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি ডিভিশনের যুগ্ম কমিশনার সানা শামীনুর রহমানের নেতৃত্বে তাদেরকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশি হেফাজতে কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের সভাপতি বাদিউল কবীর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সহ সভাপতি শাহিন গোলাম রাব্বানী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বেলাল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মিজান।
এ ঘটনার পর সচিবালয়ে সেনাবাহিনী ও র্যাবের সদস্য মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এ চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটকের পর বিজিবি এবং পুলিশের পাশাপাশি র্যাবের একটি বিশেষায়িত ইউনিটকে মোতায়েন করা হয়েছে৷ পাশাপাশি বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
চারজন পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার ব্যাপারে ডিএমপির ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি ডিভিশনের যুগ্ম কমিশনার সানা শামীনুর রহমান বলেন, যে যত বড় ক্ষমতাশালী হোন না কেন, আইন যিনি ভঙ্গ করবেন তাকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। তিনি বলেন, রবিবার থেকে সচিবালয় বন্ধের একটা হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমরা এই অন দা স্পট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি এটা আপনারাও দেখেছেন। এখানে আমরা যাচাই বাছাই করে দেখব কার কতটুকু দায় দায়িত্ব রয়েছে।
এদিকে আন্দোলনকারীদের চারজন আটকের পর মন্ত্রণালয়ে থমথম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোন প্রশাসনিক বা ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে বাহিরে দেখা যাচ্ছেনা।
এর আগে সচিবালয়ে সব ধরনের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে দফায় দফায় আদেশ জারি করেছে সরকার। চলতি সপ্তাহতেও তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, আন্দোলন পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ তবে বারবার এ আদেশ অমান্য করে সচিবালয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দাবিতে সভা-সমাবেশ চলছেই।