পঞ্চগড় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:০৯ এএম
ঘন কুয়াশার মাঝে প্রয়োজনের তাগিদে রাস্তায় পঞ্চগড়ের সাধারণ মানুষ। প্রবা ফটো
হেমন্তের শেষে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। দিনে সূর্যের তাপে গরম অনুভূত হলেও সকাল ও রাতে হিমেল বাতাস এবং ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেড়েই চলছে।
মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আর বাতাসের আদ্রতা ছিল ৭৬ শতাংশ। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ।
গতকাল সোমবার বিকাল তিনটায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে সড়ক মহাসড়কে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাতে কুয়াশার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকে কুয়াশা। ভোরবেলা থেকে সড়ক মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহনগুলো। তবে শীত উপেক্ষা করে নিম্ন আয়ের মানুষজনকে কাজের সন্ধানে বের হতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া উপজেলার পাথর শ্রমিক কুলেশ রায় বলেন, শীতের সকালে পাথর তুলতে কষ্ট হয়। সকাল বেলা নদীর পানি খুবই ঠান্ডা থাকে। যদি আমাদের শীতের গরম কাপড় দেওয়া হয় তাহলে খুব ভালো হয়।
ট্রাক চালক ইসাহাক আলী বলেন, সকাল বেলা আজকে খুবই কুয়াশা আর ঠান্ডা ছিল। সকালে কুয়াশা থাকায় গাড়ি নিয়ে বের হতে বেগ পেতে হয়েছে। সামনে দেখা যায় না।
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েকদিন ধরে এই পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমতে শুরু করছে এবং সকালের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
তিনি বলেন, দিনের বেশিরভাগই সময় কুয়াশার চাদরের ঢেকে থাকার কারণে সূর্যের আলো ভূপৃষ্ঠে পড়ে না। ফলে ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় না। এজন্য দিনেও হালকা শীত শীত অনুভব হয়। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও তাপমাত্রা কমতে পারে। সেই সাথে জেলার উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।