খাদ্য উপদেষ্টা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:১০ পিএম
আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:১২ পিএম
ফাইল ছবি।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগেই সারা দেশে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান সরকার শেষ করতে চায় বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা রয়েছে, সরকারের হাতে পর্যাপ্ত মজুদ আছে, বর্তমান সরকার এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে যেতে চায়।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চলতি বছরের ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন খাদ্য উপদেষ্টা।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত মজুদ করেছিল, এজন্যই ধান চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আছে। আমন সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে শনিবার থেকে, যা চলবে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, এবার সারা দেশে ধান চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৭ লাখ টন, এর মধ্যে ৫০ হাজার টন ধান, ৫০ হাজার টন আতপ চাল ও ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল।
তিনি বলেন, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রতি কেজি ধান ৩৯ টাকা, প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ৫০ টাকা ও প্রতি কেজি আতপ চাল ৪৯ টাকা দরে কেনা হবে।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আমাদের মেয়াদ আছে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আপনারা জানেন ফেব্রুয়ারি মাসে যেহেতু জাতীয় নির্বাচন নির্ধারিত আর আমাদের মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে যত ডিপার্টমেন্ট আছে- জেলা প্রশাসক তো বটেই, এছাড়া খাদ্য ডিপার্টমেন্টের লোকেরাও কিন্তু নির্বাচন কাজের সঙ্গে জড়িত থাকবে। কেউ প্রিসাইডিং অফিসার হবে, কেউ পোলিং অফিসার হবে। ফলে নির্বাচনের আগে প্রায় সবটা সংগ্রহ করে ফেলার জন্য আমরা চেষ্টা করব।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার পরবর্তী সরকারের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে কাজগুলোকে কমফোর্টেবল রেখে যাবে, এ ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য আমরা খুব দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চেষ্টা করব।
আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমন ধান বেশি পরিমাণে কেনা হবে। ধান ও চালের মধ্যে আগে সংগ্রহের ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে ব্যবধান থাকত, এবার তা হবে না, যা কৃষকদের উৎসাহিত করছে।
তিনি বলেন, আগে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হতো, এখন থেকে সেটা বাড়িয়া ৫৫ লাখ করা হয়েছে। আগে যেখানে ৫ মাস পেতো এখন সেটা ৬ মাস করা হয়েছে। এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে, অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কমিটেড। অন্তর্বর্তী সরকার যখন দায়িত্ব হস্তান্তর করবে, তখন খাদ্য মজুদ অনেক বেশি পরিমাণে থাকবে বলে আশা করি।