প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৩৫ পিএম
আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:৪৪ পিএম
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন অ্যাপ আগামী ১৮ নভেম্বর উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
রবিবার (৯ নভেম্বর) ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, “মূলত ১৬ নভেম্বর প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন অ্যাপ উদ্বোধনের পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু ১৬ নভেম্বর রবিবার হওয়ায় এবং বিশ্বের অনেক দেশে এটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন। তাই প্রবাসীদের সুবিধা বিবেচনায় এখন আমরা ১৮ নভেম্বর অ্যাপটি উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উদ্বোধনের সুনির্দিষ্ট সময় পরে জানানো হবে। একই দিনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা হবে।”
বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেড় কোটির বেশি বাংলাদেশি কর্মী থাকেন, যাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করে আসছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামের একটি অ্যাপ তৈরির কথা জানান ইসির এই সচিব।
তিনি বলেন, “চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে এবারের হালনাগাদ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে। প্রবাসী ভোটার অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসে থাকা নাগরিকরা দূতাবাস বা হাইকমিশনের মাধ্যমে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেনÑ যা দীর্ঘদিনের একটি উদ্যোগ বাস্তবায়নের নতুন অধ্যায় তৈরি হবে।”
‘আমজনতার দল’-এর নিবন্ধন না হওয়ায় এর প্রতিবাদে দলটির সদস্য সচিব তারেক রহমান কয়েক দিন ধরে নির্বাচন ভবনের সামনে অনশন করায় তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুললে তার জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, “আইনগতভাবে আমরা যা বলার, তা চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি। এখন তারা চাইলে আপিল করতে পারেন এবং ঘাটতিগুলো পূরণ করে পুনরায় আবেদন করতে পারেন। আপিল, সংশোধন, পরিমার্জন বা সময় বর্ধনের বিষয়গুলো প্রচলিত প্রথা। আমি আন্তরিকভাবে অনুরোধ করব- যেন তারা অনশন ভঙ্গ করে আইনগত প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যান।”
তিনি আরও বলেন, “যদি তারা পুনর্বিবেচনা বা সংশোধনের আবেদন করতে চান, তাহলে কমিশনের সচিব বরাবর আবেদন করতে পারেন। আবেদন করলে কমিশন সেটি বিবেচনায় নেবে কি নেবে না, সেটি পরবর্তী বিষয়। তবে, কমিশনের পক্ষ থেকে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
নির্বাচন ভবনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গ তোলা হলে তিনি বলেন, “এটি একটি কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠান। তাই সবাইকে সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। আরপিও’র ধারাবাহিকতায় সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করা হলেও, আপিলের বিষয়টি আইন অনুযায়ী কমিশন বিবেচনা করবে। কেউ যদি কোনো সময় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন, সেটিও গ্রহণযোগ্যতা পাবে।”
নির্বাচন কমিশন সংলাপ
আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলের
আচরণবিধিমালার গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় আছি। গেজেটটি প্রকাশ পেলেই আমরা সংলাপের সময়সূচি
চূড়ান্ত করব।”