দীপক দেব
প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ২২:৩৮ পিএম
জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন কীভাবে হবে সেই সুপারিশমালা প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সাংবিধানিক আদেশ জারি করে গণভোটের মাধ্যমে সনদ বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে সেখানে। কমিশনের এই সুপারিশ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিশেষ করে বিএনপি জুলাই সনদ ও সুপারিশের মধ্যে ভিন্নতার অভিযোগ তুলে বলেছে, এর মাধ্যমে কমিশন জনগণ ও রাজনিতক দলগুলোর সঙ্গে প্রতারণা করেছে। দলটির পক্ষ থেকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এবং সরকারের কিছু পদক্ষেপে গভীর হতাশা প্রকাশ করে আরও বলা হয়েছেÑ এগুলোর মাধ্যমে জাতিতে ঐক্যের বদলে বিভাজন তৈরি হচ্ছে। এজন্য কমিশনের পক্ষ থেকে যে সুপারিশ করা হয়েছে তা সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। এছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকেও সমালোচনা করে বলা হয়েছেÑ ঐকমত্য ছাড়া কেউ কারও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে তা কার্যকর হবে না। এটা সবার উপলব্ধি করা দরকার।
এদিকে গণভোটের সময় উল্লেখ না থাকার সমালোচনা করে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আহ্বানের জোর দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একই অবস্থান ইসলামী আন্দোলনসহ আরও সাতটি দলের। নভেম্বরে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে ৩ নভেম্বর বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। অন্যদিকে কমিশনের সুপারিশ নিয়ে কোনো ধরনের আপত্তি না জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বলেছে, আইনি ভিত্তিসম্পন্ন আদেশের খসড়া সরকার গ্রহণ করলে তাদের সনদ স্বাক্ষরের বিষয়েও অগ্রগতি হবে।
জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিয়ে তিন ভাগে বাস্তবায়নের সুপারিশ করে সরকারের কাছে চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তাব দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সুপারিশে প্রথমে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং ওই আদেশের প্রশ্নে গণভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এর ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদকে দ্বৈত ভূমিকার (সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও জাতীয় সংসদ) ক্ষমতা দিয়ে সংস্কার প্রস্তাবগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রস্তাবে সংলাপে ঐকমত্য হওয়া সনদের ৮৫টি প্রস্তারের মধ্যে ৯টি নির্বাহী আদেশে, ২৮টি অধ্যাদেশে এবং সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি প্রস্তাব সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে জুলাই সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এর বিষয় উল্লেখ থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সুপারিশের মধ্যে সেগুলোর উল্লেখ নেই। এ ছাড়া সংসদের প্রথম ৯ মাসে (২৭০ দিন) সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংস্কার সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে সুপারিশে। অন্যদিকে গণভোটের সুপারিশ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় উল্লেখ না করে আদেশ জারির দিন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন পর্যন্ত যেকোনো একদিন গণভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছে সুপারিশে।
গত মঙ্গলবার কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ হস্তান্তর করার পর থেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেওয়া শুরু করে দলগুলো। বিশেষ করে বিএনপি নেতারা এর তীব্র সমালোচনা শুরু করেন, যা গতকাল বুধবারও অব্যাহত ছিল।
জনগণের সঙ্গে প্রতারণা বলছে বিএনপি : সরকারের কাছে ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনে বিএনপির দেওয়া নোট অব ডিসেন্টগুলো লিপিবদ্ধ না থাকার সমালোচনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অবাক হয়ে আমরা লক্ষ্য করলাম-কালকে (মঙ্গলবার) যখন ঐকমত্য কমিশন প্রতিবেদন প্রকাশ করল, নোট অব ডিসেন্টগুলো নেই। পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে, ইগনোর করা হয়েছে। এটা তো ঐকমত্য হতে পারে না। তাহলে ঐকমত্য কমিশনটা করা হয়েছিল কেন? এই ঐকমত্য কমিশনÑ এটা আমি বলব, জনগণের সঙ্গে একটা প্রতারণা, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও এটা প্রতারণা।
প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি জনগণের নিকট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন তা সম্পাদন করে একটি নির্বাচন উপহার দেবেন। নির্বাচনের মাধ্যমে যে পার্লামেন্ট ক্ষমতায় আসবে, সে পার্লামেন্ট দেশের সংকটগুলো সমাধান করবে। এর যদি কোনো ব্যত্যয় ঘটে, তার দায় কিন্তু আপনাকেই বহন করতে হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, এতো বড় অভ্যুত্থানকে আমরা জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারছি না। যতই দিন যাচ্ছে আমরা ততই বিভক্ত হয়ে পড়ছি। কারা এই বিভক্তি তৈরি করছেন, সে বিষয়টি আমাদের উপলব্ধি করতে হবে। অথচ এই সময়টি হলো ঐক্যের সময়।
একই দিন বিএনপির পক্ষ থেকে ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে নেতৃত্ব দেওয়া সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে জুলাই সনদের পূর্ণ প্রতিফলন নেই। দলটির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যে সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, কমিশনের দেওয়া সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশে তার হুবহু প্রতিফলন নেই। রেফারিকে তারা কখনও গোল দিতে দেখেননি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, ঐকমত্য কমিশন, সরকার এবং আরও দু-তিনটি রাজনৈতিক দল একই পক্ষ। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এবং সরকারের কিছু পদক্ষেপে আমরা আজ গভীর হতাশা প্রকাশ করছি। এগুলোর মাধ্যমে জাতিতে ঐক্যের বদলে বিভাজন তৈরি হচ্ছে।
দ্রুত গণভোটের তারিখ ঘোষণার দাবি জামায়াতের : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠিক সময়ে হবে বলে আশা প্রকাশ করে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, তবে নির্বাচন কোনো কারণে পিছিয়ে গেলেও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন যেন না পেছায়। সেজন্য আগে গণভোট করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাহের বলেন, ‘একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট হওয়া উচিত নয়। অনতিবিলম্বে গণভোটের তারিখ ঘোষণা করতে হবে।’
অন্যদিকে গণভোটের সময় নির্দিষ্ট না করার সমালোচনা করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ঐকমত্য কমিশন সরকারের কাছে যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সেখানে গণভোট কখন হবে, সেটি স্পষ্ট করে বলেনি। এর মাধ্যমে গণভোটের তারিখ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে একটা জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ‘বল’ চলে গেছে সরকারের কোর্টে। এ বিষয়ে এখন সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশন যদি সুনির্দিষ্ট করে জাতীয় নির্বাচনের আগে নভেম্বরে গণভোটের তারিখ ঘোষণা করত, তাহলে ঝামেলা সৃষ্টি হতো না। এখন সরকারের দায়িত্ব খুব দ্রুত গণভোটের তারিখ ঘোষণা করা। গণভোটের তারিখ যদি আগে ঘোষণা করা না হয়, আগে বলতে জাতীয় নির্বাচনের আগে, যত দেরি করা হবে, ততই কিন্তু মূল জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নিয়ে নতুন সংকট দেখা দেবে।
শহীদ মিনারে বাস্তবায়নের আদেশ স্বাক্ষরের পরামর্শ এনসিপির : এদিকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এখন অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপ দেখার পরই এতে স্বাক্ষরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে এনসিপি। ঐকমত্য কমিশনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে দলটির মুখ্য সমম্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আইন মন্ত্রণালয়ের ওপর আস্থা নেই। আসিফ স্যারের ওপরে আস্থা নেই। কমিশন ড্রাফট আকারে যখন হাজির করবে আমরা সেটা পড়ব। যদি দেখি জনগণের সব আশা আকাঙ্ক্ষা এবং গণঅভ্যুত্থানকে প্রাথমিক ভিত্তিমূল ধরে নেওয়া হয়েছে তখন আমরা স্বাক্ষর করব। তিনি আরও বলেন, যেহেতু এই গণঅভ্যুত্থান থেকে সরকার গঠন হয়েছে, তাই সরকার প্রধান ড. ইউনূসকে জনগণের সম্মুখে শহীদ মিনারে বাস্তবায়ন আদেশে স্বাক্ষর করতে হবে। কারণ এই শহীদ মিনার থেকে এক দফা দাবির মধ্যে মাধ্যমে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট রেজিমের পতন হয়েছিল।
চাপিয়ে দিলে কার্যকর হবে না : গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, সুপারিশে নোট অব ডিসেন্টের উল্লেখ নেই। এটা তো কোনো ঐকমত্য হয়নি। এ প্রশ্নের ব্যাখ্যা নিশ্চয়ই কমিশন দেবে। তারা জুলাই সনদ সই করেছেন। সনদে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) লেখা আছে। এটা দলগুলো নিজ নিজ ইশতেহারে দেবে। যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, ম্যান্ডেট পাবে, সেই দল নিজস্ব প্রস্তাব অনুযায়ী আপত্তির অংশগুলোর মীমাংসা করবে।
জুলাই সনদের আদেশ জারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকে দাবি তুলছেন যে আদেশ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টা আদেশ দেবেন কোন ক্ষমতাবলে? সরকার আদেশ দেয়, সেটা রাষ্ট্রপতির নামে যায়, এটা যেকোনো রাষ্ট্রের নিয়ম। রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন রাষ্ট্রের প্রতীক। যদি প্রধান উপদেষ্টা নিজে এটা জারি করেন, তার মানে তিনি নিজেকে রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করছেন এবং কার্যত সংবিধানকে স্থগিত করছেন। জোনায়েদ সাকি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ঐকমত্য ছাড়া কেউ কারও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে তা কার্যকর হবে না। এটা সবার উপলব্ধি করা দরকার।
গণভোটসহ পাঁচ দাবিতে কর্মসূচি দিয়েছে আট দল : এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে নভেম্বরেই গণভোট দেওয়াসহ পাঁচ দাবিতে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীসহ যুগপৎ আন্দোলনে থাকা আট ইসলামপন্থী দল। দলগুলো বলছে, গণভোটের তারিখ ঘোষণায় যত দেরি হবে, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ততই সংকটে পড়বে। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দাবি আদায়ে সমমনা দলগুলোর পক্ষে আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এরপর ৩ নভেম্বর বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে বৃহত্তর কর্মসূচি।
জুলাই সনদ পাস করানোর দায়িত্ব সবার : জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আমরা জুলাই সনদের প্রস্তাবনা ইতোমধ্যে জমা দিয়েছি। এখন সরকার এগুলো নিয়ে কাজ করবে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবেÑ অতীতেও অনেক আন্দোলন হয়েছে। সেসব আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে। মানুষের আত্মত্যাগের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ রয়ে গেছে। কিন্তু এবার যেন ব্যর্থ না হয়। তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ে যারা প্রাণ দিয়েছেন, রক্ত দিয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগ ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি গণভোটে জুলাই সনদ পাস না হয়। এজন্য জুলাই সনদ পাস করানোর দায়িত্ব সবার।
সরকারকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের : গণভোটের মাধ্যমেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মনে করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, গণভোট ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সম্ভব না। আর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে নির্বাচনও ঝুলে যেতে পারে। এই অবস্থায় দলগুলোর অনৈক্যের মধ্যে সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বল এখন সরকারের কোর্টেÑ এই মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই অবস্থায় সরকারের উচিত একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা। কারণ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে এনসিপিসহ অনেকেই নির্বাচনে আসবে না বলে আগেই ঘোষণা দিয়েছে। এজন্য সরকারকে গণভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাব্কে চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ মাসুম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বড় দলগুলোর বেশি দায়িত্ব থাকে। যেহেতু আগামী দিনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, তাই তাদের দায়িত্বও বেশি। বিএনপি যেভাবে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে তাতে করে জনগণ হতাশ হচ্ছে। সবার মনে রাখতে হবেÑ ঐক্য ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সবাইকে এক জায়গায় আসতে হবে। তা না হলে পতিত স্বৈরাচার ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হবে। যেটা কারও জন্যই ভালো হবে না। পাশাপাশি সরকারকে কঠিন হয়ে দেশ ও জনগণের স্বার্থে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।