প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২০:৩৬ পিএম
প্রবা ফটো।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, তামাক কোম্পানি কোনোভাবেই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের স্টেকহোল্ডার হতে পারবে না। সরকারও জনস্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে না।
তিনি বলেন, যদি দেশের মানুষের সুস্থতার কথা সত্যিকার অর্থে চিন্তা করতে হয়, তবে তামাক বন্ধ করতেই হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে সিরডাপ মিলনায়তনে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডর্প) আয়োজিত “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ফরিদা আখতার বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ খসড়া পরিমার্জনের লক্ষ্যে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়েছে। জনসমাগমস্থল সম্পূর্ণভাবে ধূমপানমুক্ত করতে হবে, ধূমপানের জন্য আলাদা স্থান রাখা যাবে না।
উপদেষ্টা আরও বলেন, তামাক কোম্পানির নানা অপকৌশলের কারণে আইন সংশোধনে দীর্ঘদিন বিলম্ব হয়েছে। তামাক কোম্পানি যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তাদের কোনো নৈতিক মনোবল নেই। ফলে সফল হতে পারবে না।
ই-সিগারেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার এর আমদানি শুরু থেকেই নিষিদ্ধ করার বিষয়ে একমত হয়েছে। তামাক পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব মোড়কের দৃশ্যমান স্থানে প্রকাশ করতে হবে। পরোক্ষ ধূমপানও ধূমপান সেবনের মতোই ক্ষতিকর।
তিনি তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সচেতন থাকলে শুধু নিজেরাই ধূমপান থেকে বিরত থাকবেন না, বরং অন্যদেরও এ অভ্যাস থেকে বিরত রাখতে পারবেন। কেবল আইন করলেই হবে না, আইন বাস্তবায়নে তরুণদের সোচ্চার হতে হবে।