× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

জাতির জীবনে ফিরে এলো সেই বিষাদময় রক্তাক্ত দিন

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২২ ০০:০৯ এএম

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২২ ০০:১৪ এএম

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে রাজধানীর রায়েরবাজারে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। ছবি: সংগৃহীত

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে রাজধানীর রায়েরবাজারে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। ছবি: সংগৃহীত

কালচক্রে ফিরে এলো বাঙালির একান্ন বছরের পুরনো সেই শোকাবহ দিন, ফিরে এলো ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের সেই ভয়াল দিনের স্মৃতি। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী আর তাদের এ দেশীয় দোসর বিশ্বাসঘাতক স্বাধীনতাবিরোধী চক্র–জামাতআল বদর, আল শামস, রাজাকারের দল মিলে যে ভয়ংকর নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল, ১৪ ডিসেম্বর যেন সেই দিনের এক প্রামাণ্য দলিল।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বাহ্নেই শোষক পাকিস্তানি প্রশাসন বুঝতে পেরেছিল এদেশের সহজ-সরল মানুষগুলোকে আর শাসন-শোষণ করা যাবে না, জেগে উঠেছে বাঙালি। তারা জেনে গিয়েছিল, এদেশে পাকিস্তানী স্বৈরশাসকদের পতন অনিবার্য, এটা কেবল কিছু সময়ের ব্যাপার মাত্র। এই পরাজয়কে সহজে মেনে নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তখনই একাত্তরের সেই ঘাতক-দালালের দল এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যার নীল নকশা বাস্তবায়ন করে।


বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে তারা দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদসহ দেশের মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা ও গুম করে। তাদের মধ্যে ছিলে অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা.আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, . ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী,অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন,অধ্যাপক আনোয়ার পাশা,অধ্যাপক রশীদুল হাসান, .আবুল খায়ের, .মুর্তজা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরও অনেকে।


বাঙালির চিন্তাজগতে এদের ভূমিকা ছিল আলোকবর্তিকার। ভাষা-আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের পথে যারা অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন, দিয়েছেন সঠিক দিক নির্দেশনা।


১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের সেই হত্যাকাণ্ড স্তম্ভিত করেছিল বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে। ঘাতক-দালাল চক্র এই পৈশাচিক-নির্মম নিধন যজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর, রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ ফেলে রেখে যায়। ১৬ ডিসেম্বর পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণের পরে আত্মীয়-স্বজনরা মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে তাদের সেই ক্ষতবিক্ষত মরদেহ খুঁজে পায়।

ইতিহাসের সেই বিষাদময় দিনটি গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে বাংলাদেশ। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নানা কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিও থাকছে আজ (বুধবার) সকাল থেকে।


মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়তে পারলে সার্থক হবে তাদের আত্মত্যাগ : রাষ্ট্রপতি


শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতির সূর্যসন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হামিদ।


রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।’


মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বুদ্ধিজীবীরা তাদের মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ, শিল্প-সাহিত্যের চর্চা ও ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি এবং যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক পরামর্শ দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে অসামান্য অবদান রাখেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের নিশ্চিত পরাজয় আঁচ করতে পেরে জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন উদ্দেশ্যে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদর-আল শামস বাহিনীর সহযোগিতায় ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময়জুড়েই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যাকাণ্ড ছিল জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’


মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে বলে আমি মনে করি।’


সেই ঘাতক-দালালেরা এখনও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী


একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে দেওয়া বাণীতে বলেছেন, ‘একাত্তর স্বাধীনতা বিরোধী সেই ঘাতক-দালালের দল এখনও নানাভাবে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কুখ্যাত মানবতাবিরোধীদের যারা লালন-পালন ও রক্ষার চেষ্টা করছে, তাদেরও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।’


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতা বিরোধীরা এই পরিকল্পিত নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে পরাজয়ের জঘন্যতম প্রতিশোধ নেয়। বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করাই ছিল এ হত্যাযজ্ঞের মূল উদ্দেশ্য। মহান মুক্তিযুদ্ধের এই পরাজিত শক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যা করে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তারা হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে বিকৃত করে। তারা সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিয়ে দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এখনও নানাভাবে তারা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।’


শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে একাত্তরের ঘাতক, মানবতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী জামাত-মৌলবাদীচক্র এবং গণতন্ত্র বিরোধী অপশক্তির যে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা এবং গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে দেশবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মানবতাবিরোধী- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের বিচার চলমান রয়েছে এবং অনেকগুলো বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। এসব রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মা শান্তি পেয়েছে। দেশ ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হচ্ছে। এই কুখ্যাত মানবতাবিরোধীদের যারা লালন-পালন ও রক্ষার চেষ্টা করছে, তাদেরও একদিন বিচার হবে, ইনশাল্লাহ।’


শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের বাণীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতি যেন মেধা-মননে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় মেতে ওঠে। বাংলাদেশীদের পঙ্গু জাতিতে পরিণত করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞে আত্মদান করেন অগণিত সূর্যসন্তান। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথ অনুসরণ করে আমরা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর স্বপের নতুন বাংলাদেশ গড়তে দৃপ্ত পায়ে এগিয়ে যাব।’


শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচি


বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং ৭টা ৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।


মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্য এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা সকাল ৭টা ২২ মিনিটে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল সাড়ে ৮টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সর্বস্তরের জনগণ মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।


দিবসটি উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে আজ। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপসানালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হবে।


মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় সেক্টর কমান্ডারস্ ফোরাম ও মুক্তিযুদ্ধ-৭১ ঢাকার রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পুস্তস্তবক অর্পণ করবে। পরে একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার জাতিসংঘের স্বীকৃতির দাবিতে বধ্যভূমির সামনে মানববন্ধন করবেন তারা। এ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যরা।


বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বাংলা একাডেমির কর্মকর্তারা। পরে বেলা সাড়ে ৩টায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হবে। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক। আলোচক হিসেবে থাকবেন শহীদ বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশার সন্তান রফিকুল আফতাব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।


শিল্পকলা একাডেমির সাংস্কৃতিক দলের সদস্যরা বুধবার সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমি প্রাঙ্গণে স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও দেশের গানের আয়োজন করেছে।


সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাজধানীতে চলছে বিজয় উৎসব। বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবর মঞ্চ, রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভ, মিরপুর-৬ নং সেকশনের মুকুল ফৌজ মাঠ, দনিয়া মাসুদ মঞ্চ, ভিক্টোরিয়া পার্ক, মতিঝিল টি অ্যান্ড টি কলোনি মাঠ, উত্তরা বঙ্গবন্ধু মুক্ত মঞ্চ, পূর্বাচল জয় বাংলা স্কয়ার- এই নয়টি মঞ্চে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে বিকেল ৪ টায়৷ অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে একক ও দলীয় সঙ্গীত, নাটক, নৃত্য, একক ও দলীয় আবৃত্তি, শিশু সংগঠনের পরিবেশনা ও স্মৃতিচারণ৷


মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর জানিয়েছে, বুধবার বিকাল ৪টায় জাদুঘর মিলনায়তনে স্মৃতিচারণমূলক সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সন্তানরা উপস্থিত থাকবেন। পরে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ মঞ্চস্থ করবে গীতিআলেখ্য ‘মারের সাগর পাড়ি দেব, বিষম ঝড়ের বায়ে’।


বুধবার বিকাল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব (অসমাপ্ত আত্মজীবনী-তে বানান এভাবেই লেখা) মিলনায়তনে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি’ শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মূল বক্তা হিসেবে থাকবেন জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।



শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা