প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৫ ২৩:০৬ পিএম
শিশুশ্রমকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, বিদ্যমান আইনি কাঠামোর দুর্বলতা এবং নীতিমালাসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ায় গৃহকর্মী শিশুরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের সুরক্ষায় নীতিমালা যথাযথ বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন আইন প্রণয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক সংলাপে এসব কথা বলেন তারা। চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্লাটফর্মের সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি), এডুকো-বাংলাদেশ ও শাপলা নীড় আয়োজিত সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। এএসডি’র নির্বাহী পরিচালক এম এ করিমের সভাপতিত্বে সংলাপে বক্তব্য রাখেন আইন কমিশনের গবেষণা কর্মকর্তা মোছাম্মৎ মনিরা সুলতানা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. সালমা আক্তার প্রমুখ।
এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান বলেন, গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুর অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি আমাদের সমাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের মৌলিক প্রশ্নের সাথে সুরক্ষার জন্য এখনই আইন প্রণয়ন করতে হবে। অমরা গৃহকর্মী কল্যাণ ও সুরক্ষায় মনিটরিং কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি। শিশুশ্রমকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে। আমরা এই সেক্টরে কর্মরত সকল সরকারি-বেসরকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করার উদ্যোগ নিয়েছি। ঢাকায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জন্মনিবন্ধনের প্রক্রিয়া বিনা খরচে ও সহজ করার চেষ্টা করছি। এক্ষেত্রে জনগণ সচেতন হলেই আমাদের সকল উদ্যোগ কাজে দেবে। আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিশু অধিকার সুরক্ষাসহ মানবাধিকার রক্ষা হবে।