প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫ ২২:১৪ পিএম
ছবি সংগৃহীত
বাংলাদেশের সামুদ্রিক শিল্পের কার্বন নিঃস্বরণ ও টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিতে ‘ওশেন সেন্টার্স বাংলাদেশে’এর উদ্যোগে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ আগষ্ট) রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে “কার্বন নিঃস্বরণ কমানো,এগিয়ে যাওয়া: বাংলাদেশের সামুদ্রিক শিল্পের ডিকার্বনাইজেশন” শীর্ষক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় নীতিনির্ধারক, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায়, জাহাজের জ্বালানি হিসেবে এনএলজি ও বায়োফুয়েল ব্যবহার বৃদ্ধি করা, মিথানল ও আ্যামোনিয়ার মতো পরিবেশবান্ধব জ্বালানির জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন ও ব্যবহারের জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোর ওপর সুপারিশ করা হয়।
ওশেন সেন্টার্স বাংলাদেশ’র কান্ট্রি হেড কমোডর (অবঃ) মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা জাহাজ শিল্পের টেকসই অবস্থার জন্য ৪টা ক্ষেত্রে কাজ করছি। এগুলো হলো-পন্য জাহাজীকরন, মাছের পরিকল্পিত প্রজনন ও তা সংগ্রহ, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং জাহাজ শিল্পে আর্থিক বিনিয়োগ। এছাড়াও জাহাজ শিল্পে গ্রীন হাউজ গ্যাস নিঃস্বরণ কমানোর জন্য কি করা যায়, কি করণীয় এবিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার কিছু লক্ষ্য দেওয়া আছে; ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বনের মাত্রা কতটুকু কমাতে হবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃস্বরনের মাত্রা শূন্য স্তরে নামিয়ে আনতে হবে। এই শিল্পের প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে, গবেষক এবং সরকারের নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ হিসেবে যারা আছেন, সবাই মিলে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।’
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শফিউল বারী বলেন, সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে সরকারের খুবই ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। জাহাজ শিল্প, গবেষক এবং সরকারের নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষের সবার সমন্বয়ে কাজ করার সুযোগ আছে।
বাংলাদেশ নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিউল বারী সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, ম্যারিন কেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন জিল্লুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আবু হেনা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নৌ স্থাপত্য ও সমুদ্র প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মীর তারেক আলী প্রমুখ।