× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দেশি মাছ রক্ষায় জলাশয় চিহ্নিত করতে হবে: মৎস্য উপদেষ্টা

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১২:৫৫ পিএম

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১২:৫৮ পিএম

বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) আয়োজনে এক সেমিনারে কথা বলেন মৎস্য উপদেষ্টা।

বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) আয়োজনে এক সেমিনারে কথা বলেন মৎস্য উপদেষ্টা।

সারা দেশের জলাশয়গুলো চিহ্নিত করে দেশি মাছের প্রজাতি রক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের নানান প্রজাতি রয়েছে। এসব জলাশয় চিহ্নিত করে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও বৃদ্ধি করতে হবে।

বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) আয়োজনে এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা আখতার বলেন, অভয়াশ্রম গড়ে তোলা ও রক্ষা করা মৎস্যসম্পদ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মুক্ত জলাশয়ের পরিমাণ দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে কমছে। এর পেছনের কারণ ছিল নীতি-নির্ধারণীতে পূর্বে পর্যাপ্ত মনোযোগের অভাব। তাই এখন মুক্ত জলাশয় গড়ে তোলা ও তা রক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উপদেষ্টা জিনগত বিলুপ্তি রোধের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বলেন, মাছের প্রজাতি সংরক্ষণ কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক মৎস্যসম্পদের প্রয়োজনে ও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রাকৃতিকভাবে এমন স্থানে অবস্থান করছি যেখানে মাছ ছাড়া বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

ফরিদা আখতার বলেন, দেশে ৬৪ প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়েছিল, কিন্তু বিএফআরআইর গবেষণার মাধ্যমে ৪১ প্রজাতির মাছ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। অভয়াশ্রমের সাইনবোর্ডে ‘মাছ ধরা নিষিদ্ধ’ লেখা থাকলেও এটি মানব বিবেকের বিষয়। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে কিছু জেলাকে চাল দেওয়া হয়, অন্যদের শাস্তি দেওয়া হয়। এটি না করে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মাছের প্রজাতি ও অভয়াশ্রম রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।

তিনি মাছ শিকারে বিষ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ কত নিষ্ঠুর, তারা মাছ শিকারে বিষ ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। এটি মানুষের লোভ ও তাৎক্ষণিক লাভের কারণে হচ্ছে।

প্লাস্টিক দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মৎস্যসম্পদ ধ্বংসের পেছনে পানি ও প্লাস্টিক দূষণ অন্যতম কারণ। সম্প্রতি প্লাস্টিক বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কোনো সমঝোতায় আসা যায়নি। প্লাস্টিক চুক্তি মানুষের এবং প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় বাংলাদেশও স্বাক্ষর করেনি।

বিএফআরআইর মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান পারাহ শাম্মী ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআইর ঊর্ধ্বর্তন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মশিউর রহমান।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা