কূটনীতিকদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৫ ১১:৪৮ এএম
ছবি : সংগৃহীত
জাতিসংঘের উদ্যোগে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান। গতকাল রবিবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের ব্রিফ করে এমন তথ্য তুলে ধরেন তিনি। ব্রিফিংয়ে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাস্ট্র, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৫০টি মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে ‘অংশীজন সংলাপ : রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে আলোচনার জন্য প্রাপ্ত বার্তা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন জাতিসংঘের উদ্যোগে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে কক্সবাজারে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনটি জাতিসংঘের বৃহত্তর সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশবিশেষ।
কূটনীতিকদের ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি আন্তর্জাতিক আলোচনার এজেন্ডা থেকে প্রায় বাদ পড়ে যাচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টা গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজনের জন্য সব সদস্য রাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই আহ্বানে সাড়া পাওয়া যায় এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই সম্মেলন আহ্বানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিশ্বের ১০৬টি দেশ এই সম্মেলনকে স্পন্সর করেছে।
নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, সম্মেলনটি রোহিঙ্গাদের জন্য এবং বিশ্বসম্প্রদায়ের জন্য এ সমস্যার একটি স্থায়ী ও প্রকৃত সমাধান খুঁজে বের করার পথনির্দেশিকা দেওয়ার বড় সুযোগ। এ কারণে রোহিঙ্গাদের কথা, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্নগুলোকে সে সম্মেলনে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আপনারা জানেন, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোই এ ধরনের সম্মেলনে অংশ নেয়। রোহিঙ্গারা তো আর সদস্য নয়। কিন্তু কাউকে তো তাদের ভয়েসটা নিয়ে যেতে হবে। আমরা এ ধরনের প্রক্রিয়ায় সে কাজটা করছি।
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু ও স্থায়ী সমাধান চাই। আপনি আন্তর্জাতিক সাহায্য দিয়ে কত দিন রাখবেন, তাদের তো বাড়িঘরে ফিরতে হবে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিলে সবার জন্য মঙ্গল।