× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ভূমিকম্পের ভয়াবহ ঝুঁকিতে দেশ

ফারুক আহমাদ আরিফ

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৫ ১৮:৪৬ পিএম

ভূমিকম্পের ভয়াবহ ঝুঁকিতে দেশ

বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, মিয়ানমার, ভুটান, নেপাল, চীনে প্রতিনিয়ত ভূমিকম্পের প্রবণতা বাড়ছে। ২০২১ থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এ অঞ্চলে ১৭৮টি ভূমিকম্প হয়েছে। তার মধ্যে শুধু বাংলাদেশেই উৎপত্তি হয়েছে ৩৭টি ভূমিকম্পের। তা ছাড়া গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দুদফায় ৭.৭ এবং ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। যার প্রভাব পড়ে থাইল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশেও। এতে মিয়ানমারে প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। গত ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ ও ভারতে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। আর বিগত একশ বছরে বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়নি। সেই বিবেচনায় এ অঞ্চলেও বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ভূ-তত্ত্ব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা এখন থেকেই এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংঘটিত ভূমিকম্প

বাংলাদেশের ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভূমিকম্পের তথ্য মেলে ১৫৪৮ সাল থেকে। তবে সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ১৯৮৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকম্পের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করছে। বর্তমানে দেশে ১৩টি ডিজিটাল স্টেশন থেকে ভূমিকম্পের তথ্য সংগ্রহ করছে অধিদপ্তর।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানার দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২১-২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সোয়া ৪ বছরে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, ভুটান, নেপাল, চীন, থাইল্যান্ড এবং বঙ্গোপসাগরে ১৭৮টি ভূমিকম্প হয়েছে। তার মধ্যে ২০২১ সালে মোট ২৮টি, সেখানে বাংলাদেশে ৯ এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ১৯টি, ২০২২ সালে ১৯টি, ২০২৩ সালে ৩৫টি, যার মধ্যে বাংলাদেশে ৯ এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ২৬টি, ২০২৪ সালে ৫৪টি, যার মধ্যে বাংলাদেশে ১১ এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ৪১টি, আর চলতি বছরের চার মাসে ৪৩টি, যার মধ্যে বাংলাদেশে ৯টি এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ৩৪টি ভূমিকম্প হয়েছে। এই সময়ে বাংলাদেশে মোট ৩৮টি ভূমিকম্প হয়েছে, তার মধ্যে সিলেটে ১১ ও বঙ্গোপসাগরে ৫টি। রিখটার স্কেলে এসবের মধ্যে ১৫৪টির মাত্রা ২ থেকে ৫ ও ২৪টির ৫.১ থেকে ৭.৭।

বাংলাদেশের ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গোপসাগরে হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৫, ২৯ মে সিলেটে ৪.১, ২০২৩ সালের ৫ মে ঢাকার দোহারে ৪.৩, ১৬ জুন সিলেটে ৪.৫ এবং ১৪ আগস্টে ভারত ও বাংলাদেশে ৫.৫। ২০২৪ সালের ২৮ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরে ৪.২, ১৭ অক্টোবরে শরিয়তপুরে ৪.১ মাত্রা। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারিতে বঙ্গোপসাগরে ৫.১ ও ২৫ মার্চে ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

বাংলাদেশ কতটা ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ মো. রুবাঈয়্যাৎ কবীর বলেন, আমরা আছি ইন্ডিয়ান প্লেটে। এটি নর্থ-ইস্টে মুভ করছে। সাউথে মুভ করছে ইউরেশিয়ান প্লেট। এটা ঘটেছে আসামের ডাউকি বেল্টে। আবার ইউরেশিয়ান প্লেট মিয়ানমারের সাব-প্লেটের সঙ্গে ক্লোড হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশের নর্থ ও ইস্ট ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। সব সময় এখানে ৪-৫ মাত্রার ভূমিকম্প দেখা যায়।

ভূমিকম্পে ঢাকা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ এটা বোঝাতে মো. রুবাঈয়্যাৎ কবীর বলেন, শুধু ঢাকায় ভূমিকম্প হলেই ঢাকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিষয়টি এমন না। সিলেট বা তার উজানে ভূমিকম্প হলেও ঢাকায় বড় ধরনের ক্ষতি হবে। কেননা ঢাকায় আমরা যেসব স্থাপনা, বিল্ডিং করেছি সেখানে অনেক বিল্ডিং আছে, যা নিয়মনীতি অনুসরণ করে করা হয়নি। ঢাকায় বেশিরভাগ বিল্ডিং জলাশয় ভরাট করে কৃত্রিমভাবে করায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তা ছাড়া রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বিভাগ তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। দক্ষিণাঞ্চল কম ঝুঁকিপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের সাবেক ডিন ও ডিপার্টমেন্ট অব ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলেন্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প পাওয়া যায় না। আমাদের ভূখণ্ডে শ্রীমঙ্গলে ৭.৬ ও মানিকগঞ্জে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পই তথ্যসম্পন্ন।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি সেটির উদাহরণ হলো ঈসা খাঁর রাজধানীর স্থাপত্যসহ বিভিন্ন স্থাপনা। কেননা এসব স্থাপনা ৪০০ বছরের পুরানা। কিন্তু ভূমিকম্পে ক্ষতি হয়নি। মণিপুর ও মিজোরামে বৌদ্ধদের অনেক প্যাগোডা ও অন্যান্য স্থাপত্য রয়েছে। সেগুলো হাজার বছরের স্থাপত্য, কিন্তু ধ্বংস হয়নি। তার অর্থ হচ্ছেÑ বিগত ৫০০ বছরে এ অঞ্চলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান, চীন ও থাইল্যান্ডের চেয়ে কম হেজার্ড বা বিপদাপন্ন দেশ বাংলাদেশ। এসব দেশে যে মাত্রার ভূমিকম্প হবে বাংলাদেশে সেই মাত্রার ভূমিকম্প হবে না। অর্থাৎ ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা নেই।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, অতীতে বাংলাদেশে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল দক্ষিণ সেগমেন্ট টেকনাফ থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে ডুবন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৩ মিটার ও মিয়ানমারে একটা দ্বীপ ৬ মিটার ওপরে উঠে আসে। বঙ্গোপসাগরে সুনামি সৃষ্টি হলে সীতাকুণ্ড পাহাড়ে কাদাবালির উদগিরণ হয়। কক্সবাজার থেকে সিলেট পর্যন্ত গত ৮০০ থেকে ১,০০০ বছরে কোনো ভূমিকম্প হয়নি। দক্ষিণে ভূমিকম্প হওয়ায় সঞ্চিত শক্তি ছেড়ে দিয়েছে, উত্তরে তা জমা আছে। এসব শক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, সাব-ট্রাকশন জোনকে দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছেÑ লগ জোন। ফিকশনের কারণে এটা আটকে আছে। লগ জোনেই বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়। এটা সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ তথা হাওরাঞ্চল হয়ে পূর্বদিকে মণিপুর, মিজোরাম পর্যন্ত লগ হয়ে আছে। কিন্তু পশ্চিম দিকে লগ জোনে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার শক্তি জমা হয়ে আছে। এই শক্তি আজ বা কাল সেটা বের হবেই তার বিকল্প নেই।

ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, এখন আমাদের ভূমিকম্পের উৎস দুই দিকে। একটি পূর্ব দিকে তথা সিলেট থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত। অপরটি উত্তরের ডাউকি ফল্ট থেকে হিমালয় পর্যন্ত। পূর্ব দিকে ভূমিকম্প হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে ঢাকায়। কেননা সেখান থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরের ঢাকা শহরটি সবচেয়ে জনবহুল নগরী। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২৫-৫০ হাজার মানুষের বসবাস, আবার পুরান ঢাকায় ৪০-৫০ হাজার, উত্তরে ২৫-৩০ হাজার মানুষের বসবাস। নারায়ণগঞ্জ, সাভার, টঙ্গীতে ৬ হাজারের মতো বিল্ডিং আছে পুরাতন। আর রাজউকের হিসাবে ৯৫ শতাংশ বিল্ডিং ভারনারেবল কন্ডিশনে রয়েছে। তার মধ্যে ১ শতাংশও যদিও সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয় তাহলে ২-৩ লাখ মানুষের তাৎক্ষণিক মৃত্যু হবে। আর এটি নির্ভর করবে সময়ের ওপর। রাতে ভূমিকম্প হলে এক ধরনের ক্ষতি হবে। দিনে হলে ভিন্ন ধরনের ক্ষতি হবে। তা ছাড়া ৬-৭ লাখ লোক অবরুদ্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গ্যাস থেকে আগুন বের হলে অগ্নিদগ্ধ হতে পারে। পানি ও সুয়্যারেজ লাইন এক হয়ে পানির ঘাটতি দেখা দেবে। অবরুদ্ধদের তাৎক্ষণিক উদ্ধার করা যাবে না।

ভূমিকম্প থেকে উত্তরণে প্রস্তুতি

৮ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটবে আশঙ্কা করে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, এর সমাধানে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। স্বল্পমেয়াদির মধ্যে রয়েছে শহরবাসীকে সচেতন করে তোলা। ভূমিকম্পের আগে ব্যক্তি, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রস্তুতি থাকতে হবে। ভূমিকম্পের পরে প্রত্যেকের দায়িত্ব কী হবে তা নির্ধারণ করা। এ ব্যাপারে স্মার্টফোনে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নেচারাল হেজার্ড গ্যামের আহ্বান করা যেতে পারে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতির বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এভাবে ৩-৬ মাসের প্রস্তুতি ও ঢাকার ওয়ার্ডগুলোতে মহড়া করতে হবে। তা ছাড়া দেশের জেলা ও বিভাগীয় শহর এমনকি গ্রাম পর্যায়েও মহড়াগুলো হতে পারে। এতে ভূমিকম্পের ক্ষতি থেকে রক্ষা বা পরবর্তীতে উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেওয়া সম্ভব। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব।

কী ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট সিটি করপোরেশনে 

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের কমপ্রিহেন্সিভ ডিজিস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের অধীনে ২০০৯ সালে ‘আর্থকুইক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অব ঢাকা, চিটাগং অ্যান্ড সিলেট সিটি করপোরেশন এরিয়া’ শীর্ষক একটি গবেষণা করা হয়। তাতে বলা হয়, বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে তিনটি সিটি করপোরেশনে প্রায় ৯ লাখ ২২ হাজার ৫১০টি বিল্ডিং ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সেখানে মেরামতের অযোগ্য বিল্ডিংয়ের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৯৮টি।

গবেষণায় বলা হয়, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ৬০৪টি ভবন মাঝারি ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ২ লাখ ৩৮ হাজার ১৬৪টি বিল্ডিং এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা মেরামত করার উপযুক্ত থাকবে না। চট্টগ্রামে প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৫০টি ভবন মাঝারি ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৫৫টি ভবন অধিক পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সিলেটে ৫১ হাজার ৮৫৮টি ভবন মাঝারি ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রায় ৫০ হাজার ৮৭৯টি বিল্ডিং এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা মেরামত করার উপযুক্ত থাকবে না।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা