প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৫ ২১:৫২ পিএম
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের সিভিল অংশ এবং ই/এম অংশ বাস্তবায়নের জন্য নীতিগতভাবে দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২১তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিবীক্ষণ কমিটির দুটি পৃথক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের দুটি প্রস্তাবই নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে এবং এর নির্মাণকাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১১১ কোটি ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদিত হয়। আগামী ৫ আগস্ট এ জাদুঘরের উদ্বোধন করা হতে পারে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহীদদের স্মারকের পাশাপাশি বিগত সরকারের ১৬ বছরের নিপীড়নের বিভিন্ন ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে এ জাদুঘরে।
সূত্র আরও জানিয়েছে, আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে জাদুঘরের রূপান্তরের কার্যক্রম সমাপ্ত করতে যে ধরনের নির্মাণ বা সংস্কার কাজ করতে হবে, সেই কাজ হবে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে, অর্থাৎ দরপত্র ডাকা হবে না। জাদুঘরের কাজের মধ্যে থাকবে ইএম অংশ। ইএম বলতে বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক অংশকে বোঝানো হচ্ছে। এর মধ্যে থাকবে বৈদ্যুতিক তার, সুইচসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক ও যন্ত্রিকসামগ্রী। আরও থাকবে পূর্ত অংশ। এর মধ্যে থাকবে বৈদ্যুতিক-যন্ত্রিক অংশ বাদে বাকি সব।
শুভ্রা ট্রেডার্সকে দিয়ে জাদুঘরের ইএম অংশের কাজ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গণপূর্ত বিভাগ। এর জন্য ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪০ কোটি ৮৩ টাকা। এ ছাড়া পূর্ত অংশের কাজ করবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। সেজন্য ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৭০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।