প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ ১৯:৪৯ পিএম
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ ২০:৪৫ পিএম
বাংলাদেশে নিয়োজিত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস। ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অবাধ মতপ্রকাশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশ আয়োজন করতে দিতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে নিয়োজিত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস বাংলাদেশকে ওই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। জাতিসংঘের মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে পূর্ণ সহযোগিতা দেওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দেওয়া বিবৃতিতে গোয়েন লুইস বলেন, ‘চলতি বছর কোভিড মহামারি, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সারাবিশ্বে অসহায় মানুষেরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও তাদের সুখ-শান্তি নিশ্চিত করতে সব সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে।’
১৯৪৭ সালের ১০ ডিসেম্বর গৃহীত জাতিসংঘের মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণায় বলা হয়, প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন, সম্মান ও অধিকারের দিক থেকে সমান।’ এই প্রতিশ্রুতির কথাই বাংলাদেশকে স্মরণ করিয়ে দেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস।
এদিকে, মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ঢাকার ১৫টি কূটনৈতিক মিশন। এক বিবৃতিতে তারা বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার উপর গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে। ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফাইড পেইজ থেকে ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে সংরক্ষিত স্বাধীনতা উদযাপন করি এবং ঘোষণাপত্রে বর্ণিত বিভিন্ন অঙ্গীকারের মধ্যে স্বাধীন মতপ্রকাশ, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও নির্বাচন বিষয়ে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের অঙ্গীকার রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরি।
আমরা বাংলাদেশের বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এদেশের সাফল্যকে আরো উৎসাহিত করতে আগ্রহী এবং মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করছি।