গণঅভ্যুত্থান
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:১৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগে করা মামলায় পুলিশের তিন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তারা হলেনÑ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে ধরা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. আরশাদ হোসেন ও রামপুরায় একটি ভবনের ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা শিক্ষার্থীকে গুলি করার ঘটনায় আলোচিত পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকার ও রাজধানীর মিরপুর বিভাগের সাবেক এডিসি মইনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি
মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম
মর্তুজা মজুমদার অনুপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে
ট্রাইব্যুনালে আনা হয় চঞ্চল চন্দ্রকে। আর দুপুরে আনা হয় মইনুল ইসলাম ও আরশাদ হোসেনকে। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ছয়জন পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তার ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির
করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল আরশাদ হোসেনের মামলার
পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর আগামী ২৪ মার্চ মইনুল ইসলাম
ও চঞ্চল চন্দ্রের মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে
শুনানি করেন প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম।
এ সময় প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান তরফদার, অ্যাডভোকেট ফারুক আহম্মদ, অ্যাডভোকেট
আব্দুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার মইনুল করিম ও অ্যাডভোকেট সাইমুম রেজা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সাংবাদিকদের
গাজী মনোয়ার হোসেন বলেন, ট্রাইব্যুনালের মামলায় ৩০ জনের মতো আসামি কারাগারে আছেন। আর
ট্রাইব্যুনাল ১০৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।