প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:০৯ পিএম
বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে ৩২টি ফ্যাক্টরির মধ্যে ১৬টির কোনও অস্তিত্ব নেই। অথচ এই ১৬ কোম্পানির বিপরীতে ঋণ নেওয়া হয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকা। ১২টি ফ্যাক্টরি ম্যানেজমেন্ট থেকে লে-অফ করা হয়েছে, যা সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির আহ্বায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
তিনটি ফ্যাক্টরি বর্তমানে চলমান জানিয়ে তিনি বলেন, বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে অবস্থিত ৩২টি ফ্যাক্টরির বিপরীতে ২৯ হাজার ৯২৫ কোটি টাকাসহ বেক্সিমকো লিমিটেডের মোট ব্যাংক ঋণ বর্তমানে ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর মধ্যে শুধু জনতা ব্যাংকের পাওনা ২৩ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, মালিকরা এ অর্থ কোথায় নিয়ে গেছেন তা আমরা এখন বলতে পারব না। কিন্তু এই টাকা মনে করা হয় দেশের মধ্যে নেই। থাকলে হয়তো আমরা জানতে পারতাম। এটা কিন্তু পাবলিক মানি। জনগণের টাকা।
তিনি আরও বলেন, গত ২১ জানুয়ারি বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কর্মচারী ও শ্রমিকরা গাজীপুরের শ্রীপুর মায়ানগর মাঠে জমায়েত হয়ে লে-অফ প্রত্যাহার করে কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ঘোষণা দিয়েছিল, ২২ জানুয়ারি বিকাল ৩টার মধ্যে কারখানা খুলে না দিলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধসহ শাটডাউন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
এর আগে গতকাল দুপুর ১২টায় পুরানা পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে লে-অফ প্রত্যাহার করে বেক্সিমকোর গার্মেন্টস ডিভিশনের সব বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কোম্পানির কর্মীরা। একই সঙ্গে রপ্তানি বাণিজ্য শুরু ও বিদেশিদের কার্যাদেশ প্রাপ্তির সুবিধার্থে ব্যাংকিং কার্যক্রম ও ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার অনুমতি দেওয়াসহ কারখানা ও ব্যবসা চালু রেখে সব বকেয়া বেতন এবং কোম্পানির দায়দেনা পরিশোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি রাখেন তারা।