টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৪:২৪ পিএম
আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৮:২৭ পিএম
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু। ছবি : সংগৃহীত
যমুনা নদীর ওপর নির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু’র নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নতুন নামে উদ্বোধন করা হবে এ সেতু। তবে সেতুর নাম কী দেওয়া হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। ইতোমধ্যে রেলসেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছে ট্রায়াল ট্রেন।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নাম পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান।
আল ফাত্তাহ বলেন, ‘এ পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৯৬ শতাংশ। আর নির্মাণকাজের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ। ডিসেম্বর নাগাদ আমরা ট্রেন চলাচলের সব কাজ সম্পন্ন করতে পারব। জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এ রেলসেতু চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে চাই। ডিজিটাল কম্পিউটার-বেজড সিগন্যাল ইনস্টল করতে এপ্রিল পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে এ বিলম্বের কারণে রেল চলাচলে সমস্যা হবে না, কারণ সাময়িকভাবে অ্যানালগ সিগন্যাল ব্যবহার করা যাবে।’
নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এ প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নাম এখনও পরিবর্তন হয়নি। তবে উচ্চ পর্যায়ে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেতুর উদ্বোধনের আগে হয়তো নাম পরিবর্তন হতে পারে। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উদ্বোধন করবেন।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা এ সেতুর কাজ ডিসেম্বরে শেষ হবে। এরপর জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে এটি চালু হতে পারে। যমুনা সেতুর ৩০ মিটার দূরত্ব রেখে নতুন রেলসেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।
১৯৯৮ সালে চালু হওয়া যমুনা সেতুতেও পরে রেলপথ যুক্ত করা হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুর কাঠামোগত সমস্যা দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি বেশ কমানো হয়। আবার যমুনা সেতুর পূর্ব স্টেশন থেকে ট্রেন সেতুতে প্রবেশ করলে, পশ্চিম স্টেশন প্রান্তে অন্য ট্রেনকে অপেক্ষা করতে হয়। বর্তমানে ২০ কিলোমিটার গতিসীমা নিয়ে গড়ে ৩৮টি ট্রেন যমুনা সেতু পাড়ি দেয়।