কমিটি প্রধান
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৪ ১৪:০২ পিএম
আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৪ ১৫:৪৩ পিএম
আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বৃদ্ধি করার যৌক্তিকতা আছে এবং এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই বলে মন্তব্য করেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
বুধবার (২ অক্টোবর) সচিবালয়ে চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ বছর প্রত্যাশীদের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী বলেন, এই কমিটির প্রধানত একটাই ফোকাস চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে অনেকদিন ধরে একটি আন্দোলন চলছে। এটার ভিত্তিতে সরকার আমাদের পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছেন। আমাদেরকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্য প্রতিবেদন দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বয়স বৃদ্ধির দাবিতে যারা আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে আমরা বসে ছিলাম। সরকারের বর্তমান নীতিমালা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ও সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে সবকিছু চিন্তা করে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিব। বয়স বৃদ্ধি করার যৌক্তিকতা আছে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।
কী যৌক্তিকতা আছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কোভিড, সেশন জটে অনেকের সমস্যা হয়েছে। এখনকার চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো উচিত বলেও জানান তিনি।
সরকারি চাকরিতে আবেদনের
বয়স ৩৫ বছর নির্ধারণের দাবিতে অনেকদিন ধরে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা।
গত সোমবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবনের
সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন আন্দোলনরতরা। তারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকও করেন।
পরে ওইদিনই চাকরিপ্রার্থীদের
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা
ও পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়।
সাবেক সচিব ও সাবেক
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী এ কমিটির আহ্বায়ক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের
সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান সদস্যসচিব।
কমিটিতে সাবেক যুগ্মসচিব
কওছার জহুরা, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইকবাল ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ
সাইফুল ইসলামকে সদস্য হিসেবে রয়েছেন।