প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৯:৫৮ পিএম
প্রতীকী ছবি।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক গুমের তথ্য চেয়েছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কমিশনের সদস্য ও অতিরিক্ত জেলা জজ মো. বুলবুল হোসেন স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য চাওয়া হয়। কমিশন সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তথা বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বিশেষ শাখা (এসবি), গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), আনসার ব্যাটালিয়ন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই), কোস্ট গার্ডসহ দেশের অন্য যে কোনো আইন প্রয়োগ ও বলবৎকারী সংস্থার কোনো সদস্য কর্তৃক বিগত ২০১০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের তথ্য চাওয়া হয়। এই সময়ের জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানের নিমিত্ত বাংলাদেশ সরকার অত্র কমিশন অফ ইনকোয়ারি গঠন করেছেন।
‘জোরপূর্বক গুমের ঘটনার ভিকটিম নিজে অথবা পরিবারের কোনো সদস্য বা আত্মীয়-স্বজন বা গুমের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী যে কোনো ব্যক্তি স্বশরীরে কমিশনের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অথবা ডাকযোগে অথবা কমিশনের ই-মেইলে আগামী ১৫ সেপ্টম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে তথ্য জানাতে পারবেন। এক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন। তবে বর্ণিত সময়সূচী অনুযায়ী অভিযোগ দাখিলের জন্য হটলাইনের মাধ্যমে এ্যাপোয়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’
‘প্রতিটি অভিযোগনামায় অন্যান্য তথ্যাদিসহ অভিযুক্ত গুমের ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিবরণ, ঘটনার স্থান, তারিখ ও সময়, অভিযোগকারী ও তার পিতা-মাতার নাম, ভিকটিমের নাম ও তার পিতা-মাতার নাম, ভিকটিমের সঙ্গে অভিযোগকারীর সম্পর্ক, অভিযোগকারী ও ভিকটিমের ডাক-ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এবং অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা সংস্থার নাম-ঠিকানা ইত্যাদি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। এছাড়াও অভিযোগনামায় বর্ণিত গুমের ঘটনার সমর্থণে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমানাদি, সাক্ষীদের নাম-ঠিকানার তালিকাসহ অভিযোগকারী ও ভিকটিমের জাতীয় পরিচয় পত্র (যদি থাকে) দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। কমিশন কর্তৃক পরবর্তীতে প্রয়োজনবোধে অভিযোগ দাখিলকারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী কার্যতক্রম গ্রহণ করবে।’
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের গুম সংক্রান্ত ঘটনার তথ্য সংগ্রহসহ নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাসমূহের সঙ্গে পৃথকভাবে যোগাযোগ করে কমিশন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও সহায়তা গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। কমিশনের হটলাইন নম্বর ০১৭০১-৬৬২১২০ অথবা ০২-৫৮৮১২১২১। ই-মেইল [email protected]