প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০২২ ২১:৫৩ পিএম
আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২২ ২৩:৪০ পিএম
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি : প্রবা
কাঁচপুর ব্রিজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামফলক ভাঙচুর করে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনের নামে দলটি কী করবে তা এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে।
শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের দপ্তর উপকমিটির সভায় বক্তব্যে এ বিষয়ে মামলা করার কথাও জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশে নতুন করে একটা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আজকে শেখ হাসিনার উন্নয়ন অর্জনের যারা শত্রু, উন্নয়ন আর অর্জনের বিষোদগার যারা করে যাচ্ছে তারা অন্ধকারে কাঁচপুর ব্রিজের প্রান্তে আমাদের নেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনী ফলক গুঁড়িয়ে ফেলেছে।
‘আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করি। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে। আমাদের সচিব এখানে আছেন। বলেছি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখতে, তাকে দায়িত্ব দিয়েছি এবং একটা মামলাও করতে হবে।’
এই ফলক ভাঙ্গার সঙ্গে কারা জড়িত বেড়িয়ে আসবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে বলি, এরা পারলে... এখন শুরু করল। এমন একটা সেতুর উদ্বোধনী ফলক ভেঙ্গে ফেলেছে। এই তিন সেতু চট্রগ্রামের যাতায়তের অহংকারের একটা বিষয়। এই তিন সেতুতে জাপান যে ফান্ড দিয়েছে, এগার শ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
‘এরা যে আন্দোলনের নামে কী করবে, এটা বোঝাই যায়। এখন তারা উদ্বোধনী ফলক ভাঙ্গতে শুরু করেছে। তাও ফলকটি আমার না, শেখ হাসিনার, এত বিদ্বেষ। তারা করেছে, আমরা বুঝি। বেরিয়ে আসবে সত্য।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবারের সম্মেলন ঐতিহাসিক সম্মেলন হবে উপস্থিতির দিক থেকে। অনুষ্ঠান হবে সাদামাটা, কিন্তু উপস্থিতি হবে ব্যাপক। ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। এই মাসেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সামাজিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতা আদর্শিক যুদ্ধের বিপরীতে জঙ্গিবাদ, সম্প্রদায়িকতার পৃষ্ঠপোষক, অপশক্তি এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমরা যথেষ্ট তৎপর আছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় সম্মেলনের পর পরবর্তী ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। সুতরাং এখান থেকে আমরা যে প্রস্তুতি নেব, এবারকার বিজয়ের মাসে যে বিজয়ের প্রস্তুতি নেব এই বিজয় শোভাযাত্রা থেকে আমরা নিয়ে যাব আগামী বছরের বিজয়ের বন্দরে।’
দপ্তর উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. অনুপম সেনের সভাপতিত্বে আন্যদের মধ্যে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, মো. সাখাওয়াত হোসেন শফিক, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, ইকবাল হোসেন অপু, সানজিদা খানম, আনিসুর রহমান, আব্দুল আউয়াল শামীম প্রমুখ।
প্রস্তুতি সভাটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।