× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাজনীতির সমীকরণে জটিল ‘ভারসাম্যের কূটনীতি’

আমিনুল ইসলাম মিঠু

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৪ ০৯:২০ এএম

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৪ ০৯:২৬ এএম

রাজনীতির সমীকরণে জটিল ‘ভারসাম্যের কূটনীতি’

ভারত সফরের পর আগামী ৮ জুলাই চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইতোমধ্যেই প্রবল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা রাষ্ট্র বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের এই চীন সফরের ওপর শুধু ভারত নয়, পশ্চিমা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক রাষ্ট্রগুলোও সতর্ক দৃষ্টি রাখছে। বিশেষত পশ্চিমাবিরোধী জোটকে শক্তিশালী করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজাখস্তানের আস্তানায় গত বুধ ও বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) আঞ্চলিক সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে এ সফরকে পশ্চিমা রাজনৈতিক নীতিনির্ধারকরা বিশেষভাবে বিবেচনা করছেন।

দ্বিপক্ষীয় এই রাষ্ট্রীয় সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি রাজনীতিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বেইজিং। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন সফরের আগে গত সপ্তাহে ঢাকা ঘুরে গেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লি জিয়ানছাও। এই সফরকে কেন্দ্র করে চীন সফর করেছেন আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলও। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশে অনেকদিন ধরে স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ রয়েছে এবং এ সফর দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সীমাহীন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে চলেছে। এমন প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরাও মনে করছেন, এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানত বড় ধরনের ঋণ সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হচ্ছে; তবে তা সহযোগিতার রাজনৈতিক দিগন্তও প্রসারিত করতে পারে।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারত্বের দিকে যাত্রা করেছিল। এখন দুইপক্ষের উন্নয়ন অংশীদারত্ব এ দেশ দুটির রাজনৈতিক নির্ভরশীলতাকে নতুন এক রূপ দিতে চলেছে, যা এ সফরের পর স্পষ্ট হয়ে উঠবে। 

ভারসাম্যের কূটনীতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা

ভারত সফর নিয়ে ২৫ জুন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতকে ‘দুঃসময়ের বন্ধু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একই সঙ্গে চীন থেকেও শেখার আছে বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি বলেছেন, ‘চীন আমাকে দাওয়াত দিয়েছে, আমি চীনে যাব। আমি যাব না কেন? বাংলাদেশ সার্বভৌম দেশ। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব নিয়েই চলব। কার কী ঝগড়া, সেটা তাদের সঙ্গে থাক। আমার না। দেশের মানুষের কতটুকু উন্নতি করতে পারি, সেটাই আমার লক্ষ্য।’

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের পর চীন সফরে যাওয়া, তারও আগে ‘ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা’ ঘোষণা, সতর্কতার সঙ্গে চীনের বিআরআইয়ের সঙ্গে দেশের সম্পর্ক বজায় রাখাÑ এসবই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুসৃত ‘ভারসাম্যের কূটনীতি’র প্রকাশ; যা কূটনৈতিক মহলেও প্রশংসিত হয়েছে। তারা বলছেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা’ ভারসাম্যের কূটনীতি বজায় রাখারই সহায়ক প্রচেষ্টা। বাংলাদেশ ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা’ ঘোষণা করে। রূপরেখায় বলা হয়, বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক, উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য রাখে। বাংলাদেশ ‘ভিশন ২০৪১’ বাস্তবায়নে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক’ হিসেবে বিবেচনা করে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইতঃপূর্বে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু ঢাকা সফরে এসে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে বর্তমান সরকারের সম্পর্কোন্নয়ন এবং স্থায়ী করার বার্তা দেওয়ার সময়েও ভারসাম্যের কূটনীতির বিষয়টি আলোচনার পাদপ্রদীপে এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম, তাই বাংলাদেশও চায় এ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে। অন্যদিকে ভারত, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গেও চলমান উষ্ণ সম্পর্ক ধরে রাখতে চায় সরকার।

সফর ফলপ্রসূ হয়ে ওঠার ইঙ্গিত

ইতোমধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফরের সময় বাংলাদেশের রিজার্ভ সংকট মোকাবিলায় নতুন ঘোষণা আসতে পারে, যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদও গতকাল জানিয়েছেন, আসন্ন চীন সফরে জিটুজি পর্যায়ে বিদ্যুৎ-জ্বালানির সাতটি প্রকল্প নিয়ে সমঝোতা চুক্তি হতে পারে। এসব প্রকল্পে এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে তিন ধরনের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চলছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সরাসরি অর্থ সহায়তা, বাজেট সহায়তা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ঋণসহায়তা।

দ্বিপাক্ষিক এ আলোচনায় বাংলাদেশ অংশে তিস্তা নদীর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার মহাপরিকল্পনায় চীনের অর্থায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য চীন ও ভারত উভয় দেশই প্রস্তাব দিয়েছে জানিয়ে গত ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই আমি বিবেচনা করব কোন প্রস্তাবটা দেশের মানুষের কল্যাণে আসবে। আমি সেটাই করব। কোন প্রস্তাব নিলে ঋণ কতটুকু নিলাম, শোধ করলাম, দিতে কতটুকু পারব। সবকিছু বিবেচনা করতে হবে।’ গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘তিস্তায় বাংলাদেশের যেকোনো সিদ্ধান্তে আছে চীন’। যদিও বিষয়টিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এত সরলভাবে দেখছেন না।

পশ্চিমাদের দৃষ্টি প্রধানমন্ত্রীর সফরের ওপর

চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নিচ্ছে, সেদিকে বরাবরই পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র তীক্ষ্ন নজর রেখেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্কে যে আপাতনীরব টানাপড়েন দেখা দিয়েছে, তার প্রেক্ষাপটে দেশটি প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, রাজনীতির সমীকরণে তাই ভারসাম্যের কূটনীতিও জটিল হয়ে উঠছে। ইতোমধ্যে ৩ ও ৪ জুলাই কাজাখস্তানের আস্তানায় হয়ে গেছে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) আঞ্চলিক সম্মেলন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং দুজনই এ সম্মেলনে যোগ দেন। বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতও নয় সদস্যরাষ্ট্রের জোট এসসিও’র সদস্য। বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমাবিরোধী দেশগুলোর আধিপত্য কাটিয়ে শক্তিশালী হয়ে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে জোটটি গড়ে উঠেছে। এ কারণে এসসিও’র এ সম্মেলনের পর বাংলাদেশ সরকারপ্রধানের এ চীন সফরকেও তীক্ষ্নভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন পশ্চিমা বিশ্লেষকরা।

দুই দেশ সহযোগী হয়ে তিস্তা মেগা প্রজেক্ট করতে পারে : ইমতিয়াজ আহমেদ

কূটনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, ভারত বা চীনের সঙ্গে তিস্তাই একমাত্র বিষয় না। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের অবকাঠামোগত উন্নয়নের একটা ফেইজ শেষ হয়েছে। পদ্মা সেতু, চট্টগ্রামে টানেল, ছোট-বড় নানা ব্রিজসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করেছে। এখন স্বাভাবিকভাবেই অন্য আর কোন খাতে চীন আসবে, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো বড় কোনো খাতে চীন আসবে কি না, তা জানা দরকার।’ 

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত ও চীন একসঙ্গে রাশিয়ার পক্ষে ছিল, ব্রিকসেও একসঙ্গে কাজ করছে; সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনে এমনকি মিয়ানমারের ইস্যুতেও একসঙ্গে কাজ করছে। বহুমাত্রিক কাঠামোর মধ্যে দেশ দুটি একসঙ্গে কাজ করছে ও করবে। সেইভাবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও নতুনত্ব আসা উচিত। চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তাই দুই দেশ সহযোগী হয়ে তিস্তা মেগা প্রজেক্টে কাজ করতে পারে বা এতে আরও দেশও যুক্ত হতে পারে। এসব সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও বড় হয়ে উঠবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘একসময় চীনের সঙ্গে উচ্চগতির ট্রেন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিপ্রেক্ষিতে ছয়টি উচ্চগতির ট্রেন ৮টি বিভাগীয় নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হলে তা দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করার পাশাপাশি ঢাকার ওপর মানুষের চাপও কমিয়ে দেবে। কারণ এই ট্রেনের মাধ্যমে কেউ চাইলে বরিশাল থেকে ঢাকা ২৫ মিনিটে আসতে পারবে। চীন যদি মনে করে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বড় করা দরকার; সেক্ষেত্রে টেকনোলজি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা বড় আকারে করতে পারে।’ 

অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘সম্প্রতি চীনের মন্ত্রী এসেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়েছেন। রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনেও চীন ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এ বিষয়টিও এবারের সফরে আলোচনা হতে পারে। আর বাংলাদেশ তো ইন্দো-প্যাসিফিক আউটলুকে স্পষ্টই বলেছে, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক হলে বাংলাদেশ সবাইকে সহযোগিতা করবে।’

সবচেয়ে বড় সহযোগিতার ক্ষেত্র হতে পারে রেল যোগাযোগ

সাবেক কূটনৈতিক মুন্সি ফয়েজ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের একটি চিন্তার বিষয় হলোÑ আমদানি অনেক বেশি, অথচ রপ্তানি কম। চীনের সঙ্গে বৈঠকে এই দূরত্ব কীভাবে কমানো যায় তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। চীনের দেওয়া শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের সুযোগের সুফল কীভাবে পাওয়া যেতে পারে তা নিয়ে, পাশাপাশি তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরিতে বিনিয়োগেরও বিষয়ে আলোচনা করতে পারে বাংলাদেশের। সবচেয়ে বড় সহযোগিতার ক্ষেত্রে হতে পারে, দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে উচ্চগতির রেল যোগাযোগের বিষয়টি। আর তিস্তা নিয়ে তো আলোচনা নিশ্চয়ই হবে। তবে এখানে ভারত আগ্রহ দেখানোর কারণে বিষয়টি জটিল হয়ে উঠেছে। অবশ্য আমি মনে করি, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এ জটিলতা কাটানো সম্ভব।’ 

তিনি বলেন, ‘চীনের কাছ থেকে আমরা এখন বড় আকারের ঋণ সহযোগিতা আশা করছি। বাণিজ্য ও বাজেট ঘাটতি মেটাতে চীন আমাদের সহযোগিতা করতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি কমাতে চীন কী ভূমিকা রাখতে পারে, তাও দেখা হচ্ছে। মূল কথা হচ্ছে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ় জায়গায় অবস্থান করছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তা আরও গভীর হবে, আশা করছি।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা