প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৪ ১৪:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি ও ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ফের রাজধানীর ঢাকায় ফিরছে কর্মব্যস্ত মানুষ। ফিরতি যাত্রায় ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় অভিযোগ নেই যাত্রীদের। একই সঙ্গে মহা সড়কেও ততটা চাপ সৃষ্টি হয়নি।
শুক্রবার (২১ জুন) সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। চাপ বেড়েছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে। এছাড়া কমলাপুরে ট্রেন থামছে নিদিষ্ট সময়ে। ভোর থেকেই যাত্রী নিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে বাস। অপরদিকে সদরঘাটেও লঞ্চ ভিড়ছে স্বাচ্ছন্দ্যে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরছে। দূরপালার বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে সিএনজি, উবার ও পাঠাওয়ে শরণাপন্ন হচ্ছেন।
ঝিনাইদহ থেকে বাসে গাবতলী আসা আশিক হোসেন বলেন, ঢাকায় এলাম কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। এমনকি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও কোনো যানজট ছিল না।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায়, ঢাকা ফেরা মানুষের ভিড়। তাদের কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। আবার কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে। কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ। তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার শাহাদাৎ হোসেন বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে অগ্রিম টিকিটের যাত্রা শুরু হয়েছে। যাত্রী চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। এবারের ঈদযাত্রা ভোগান্তি ছাড়াই হয়েছে। বড় ধরনের বিলম্বের ঘটনাও ঘটেনি। যাত্রী সেবার মান আরও ভালো করার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে এবার ট্রেনের ঈদ যাত্রা প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়েছে।
গত ১৬, ১৭, ১৮ জুন ছিল ঈদের ছুটি। ছুটি শেষে বুধবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য। কারণ, একদিন অফিস (বৃহস্পতিবার) করার পরই আবার শুক্র ও শনিবার (২২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটি শেষে আগামী রবিবার থেকে রাজধানী হয়তো ফিরে যাবে আগের রূপে।