× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর

অমীমাংসিত বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী বাংলাদেশ

দীপক দেব ও আমিনুল ইসলাম মিঠু

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৪ ০৯:১২ এএম

আপডেট : ২১ জুন ২০২৪ ১০:৫৩ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের রাজ-অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়াদিল্লি সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষক-পর্যবেক্ষক ও কূটনীতিকদের অনেকেই। প্রতিবেশী দুই দেশের নির্বাচন-উত্তর পরিস্থিতিতে এই দুই সরকারপ্রধানের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত পুরোনো ইস্যুগুলোর পাশাপাশি স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

তাদের মতে, নতুন করে সরকার গঠন হলেও দুই দেশেই পূর্ববর্তী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বাধীন সরকার ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ও বোঝাপড়ার কারণে এই অগ্রগতি সহজতর হতে পারে। বিশেষত বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রসমূহে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পূর্বের আলোচনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। চীন সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই দিল্লি সফরে উঠে আসতে পারে তিস্তা ব্যারাজ বহুমুখী প্রকল্প প্রসঙ্গও।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার (২১ জুন) দুপুর ২টায় দিল্লির উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২২ জুন দু্ই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। দুই শীর্ষ নেতার এই আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তি, আন্তঃসীমান্ত সংযোগ উদ্যোগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় বিনিয়োগ, মোংলা বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ এবং প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব বাড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পাবে। এছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনার প্রত্যাশা করছেন একাধিক কূটনীতিক ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর এটি হবে ভারতে বিদেশি কোনো সরকারপ্রধানের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। প্রসঙ্গত, গত ৯ জুন নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখ হাসিনা। সে হিসেবে ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ভারতের রাজধানীতে এটি হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর। ভারত সফরের পর আগামী জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় চীন সফরে যাচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এ সফর প্রসঙ্গে গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘নব গঠিত দুই নতুন সরকারের মধ্যে দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এ নিয়ে আমাদের প্রস্তুতিও আছে।’ তবে আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি।

এদিকে বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, আগামী ২২ জুন অনুষ্ঠেয় হাসিনা-মোদি শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়টি আসতে পারে। ভারত প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও এখনও সেটির বাস্তবায়ন হয়নি, যা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সফরে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। ২০২৬ সালে চুক্তিটি নবায়ন করতে হবে। আগের তুলনায় কমলেও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন এখনও ঘটেনি। অনেকেরই প্রত্যাশা এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে শীর্ষপর্যায়ে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে গত বুধবার জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে আজ শুক্রবার দুপুর ২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট দিল্লির পালাম বিমানবন্দরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবে। ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় পালামে অবতরণ করবে। সেখানে ভারতের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাবেন। সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সফরকালীন বাসস্থান হোটেল তাজ প্যালেসের সভাকক্ষে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সফরকালে কাল শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এ সময় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র সালাম গ্রহণ ও গার্ড অব অনার পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি রাজঘাটে অবস্থিত মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন। 

একই দিন হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ের বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনা এবং দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এমওইউ এবং চুক্তি বিনিময় হবে সেখানে। পরে সংবাদ বিবৃতি দেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন শেখ হাসিনা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

পরদিন বিকালে দেশটির উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখারের সঙ্গে তার সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করবেন শেখ হাসিনা। উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করবেন। কাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার পথে রওনা দেবেন এবং রাত ৯টায় ঢাকায় অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

অনিষ্পন্ন বিষয়গুলোর মূল্যায়ন দরকার : এম হুমায়ুন কবীর

এ সফর প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক বিশ্লেষক এম হুমায়ুন কবীর প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘দুদিকেই নতুন সরকার। তারা দ্বিপাক্ষিক নানা আলাপ-আলোচনা করবেন। আমাদের দিক থেকে অনেকগুলো অনিষ্পন্ন বিষয় রয়েছে। তাই সেগুলোর সমাধান কীভাবে করা যাবে, তার অন্তত মূল্যায়ন করা যেতে পারে। ভারত-চীনের দ্বন্দ্ব বা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রবেশ করার প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যারাই আমাদের প্রকল্পে অংশ নিতে চায়, তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সক্ষমতা কতটা আছে তা বিবেচনা, বিচার-বিশ্লেষণ করতে হবে। এই মুহূর্তে সবার আগে আমাদের মনোযোগ দেওয়া দরকার অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পন্ন করার দিকে। বস্তুনিষ্টভাবে মূল্যায়ন করে মানদণ্ড পূরণ করে কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

তিস্তার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে : মুন্সি ফয়েজ আহমেদ

প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি সফর প্রসঙ্গে সবেক রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে যে সহযোগিতাগুলো চলছিল, সেগুলোকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হবে এই সফরের মধ্য দিয়ে। বিশেষ করে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য-বিনিয়োগ ও নিরাপত্তাÑ এসব বিষয়কে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, তার চেষ্টা এই সফরের মধ্য দিয়ে করা হবে। যখনই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনার সুযোগ আসে, তখনই নিরাপত্তার বিষয় গুরুত্ব পায়। কারণ দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সবচাইতে বড় নির্ভরতা হলো নিরাপত্তার। দুই দেশের নিরাপত্তা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। তবে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তার দিকেও প্রাধান্য দিতে হবে। এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়েও কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলো সমাধানের বিষয়ও উঠে আসবে মনে করি।’

তিনি বলেন, ‘ভারত যে পরিমাণ বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে, সেই পরিমাণ বিনিয়োগ এখনও হয়নি। এ সফরে এই বিষয়টি সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ হবে বলে মনে হয়। যোগাযোগ, বিশেষ করে মোংলা পোর্টের ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে ভারতের আগ্রহ রয়েছে। তাই এই বিষয়টিতে অগ্রগতি হতে পারে।’

সাবেক রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘দুই-তিনটা বিষয় আছেÑ যেগুলো অনেক দিন ধরে ঝুলে আছে, সেই অর্থে অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যে একটি হচ্ছে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি। এই বিষয়টি নিয়ে এবার একটা অগ্রগতি হবে বলে আমি মনে করি। কারণ বাংলাদেশ তিস্তা নিয়ে একটা মহাপরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে। চীন সেই পরিকল্পনায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারতও বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আর ভারত সফরের পর প্রধানমন্ত্রী আগামী মাসে চীন সফর করবেন, তাই প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত সফরে তিস্তার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে আমার বিশ্বাস। এক্ষেত্রে তিস্তা নিয়ে ভারত কী ভাবছে, সেটা এই সফরে অনেক কিছু পরিষ্কার হতে পারে।’ প্রকল্পটি যেহেতু বড়, সে কারণে চীনের সঙ্গে ভারতকেও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পণ্য আমদানি চেইনকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে : শহীদুল হক

এ প্রসঙ্গে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি সফর গুরুত্বপূর্ণ তো বটেই। আর দুই দেশের মধ্যে আলোচনার বিষয়গুলো তো পূর্বেই ঠিক করা আছে। এখন দেখার বিষয়Ñ এগুলোর অগ্রগতি কী হয়।’ তিনি বলেন, ‘আমার মতে শুধু তিস্তাই নয়, দুই দেশের মধ্যে পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এছাড়া আমাদের সঙ্গে পণ্য আমদানি চেইনের বিষয়টিকেও আরও গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করা প্রয়োজন। কারণ মাঝে মাঝে হঠাৎ করে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা আমাদের এখানে বাজারের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে।’

নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ সফর : মোহাম্মদ জমির 

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও দলটির আন্তর্জাতিক উপকমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জমির বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানের মাত্র কয়েকদিন পর আবার সেই দেশে সফর নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। একটা ইঙ্গিত পাওয়া গেছেÑ কয়েকটি জায়গায় আমাদের দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সংকটগুলো দূর করার বিষয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে আমাদের বর্ডারের ঘটনাগুলো, তিস্তার পানি, বাণিজ্যের কিছু বিষয়Ñ এগুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। আলোচনা মানে এই নয় যে, এখনই সব বিষয় পুরোপুরি সম্পন্ন হবে। উনি (প্রধানমন্ত্রী) যাচ্ছেন, আলোচনা হবে, নরেন্দ্র মোদি সাহেবকে আমন্ত্রণ জানাবেন। উনি (প্রধানমন্ত্রী) কয়েকদিন পর চীনেও যাবেন। বর্তমান বিশ্বরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভূরাজনৈতিক বিষয়গুলোর মধ্যে বাংলাদেশও যে চলে আসছে এটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা