× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সড়ক দুর্ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায় আছে : কাদের

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৪ ১৫:২২ পিএম

আপডেট : ১৯ জুন ২০২৪ ১৮:২৫ পিএম

ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

জনপ্রতিনিধিরা ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে অটোরিকশা মহাসড়কে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, ‘সড়কে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে মোটরসাইকেলের, এরপর অটোরিকশার।’

বুধবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে ঈদুল আজহার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইদানীং বেপরোয়া ড্রাইভিং, মোটরবাইক ও ইজিবাইকের কারণে দুর্ঘটনা বেড়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দায় আছে।’ 

তিনি বলেন, ‘‘রাজধানীতে একটি মোটরসাইকেলে দুজন এবং হেলমেট পরার বাধ্যবাধকতা থাকায় দুর্ঘটনা অনেক কমেছে। এটা শুধু শহর নয়, মফস্বল ও‌ গ্রামেও মানছে। ‘নো‌ হেলমেট, নো‌ ফুয়েল’ কার্যকর করায় এটা সম্ভব হয়েছে।’’

মন্ত্রী বলেন, ‘বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে দেশের অনেক জেলায় রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে। এসব রাস্তা‌ মেরামত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়কগুলো শিগগিরই সংস্কার ও মেরামত করা হবে। এ ছাড়া এসব কাজের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখতে হবে।’

ঈদে ৯৫ দুর্ঘটনায় নিহত ৯২

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ঈদযাত্রায় এখন পর্যন্ত ৯৫ দুর্ঘটনায় ৯২ জন হতাহত হয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘ফিরতি যাত্রায় মনোযোগ কম থাকায় দুর্ঘটনা ও আহত দুটোই বাড়ে। তবে এ বছর এখন পর্যন্ত কম আছে। শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ায় সেটা বলা যায় না। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। এর সঙ্গে বেপরোয়া ড্রাইভিংও আছে। এটাকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই।’

ওবায়দুল কাদের দ্রুত নীতিমালা করার তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার বাহন ও মোটরসাইকেল রাস্তার শৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করেছে।’ ইজিবাইকের জন্য দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে জানিয়ে তিনি নীতিমালা করতে মন্ত্রণালয়ের সচিবের প্রতি তাগিদ দিয়েছেন। কারণ মানুষের জীবন আগে, জীবিকা পরে। 

মিয়ানমার ইস্যুতে আলোচনা চালিয়ে যাবে সরকার 

বাংলাদেশের নৌযানে গুলি এসে লাগার ঘটনায় মিয়ানমার সরকারকে দায় দিতে চান না আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও কোনো আক্রমণ দেখিনি। তাদের অভ্যন্তরীণ ৫৪টি গোষ্ঠী আছে। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতে পারে, গুলির আওয়াজ আসতে পারে। তাদের নৃতাত্ত্বিক বিদ্রোহীরা আছে। তাদের থেকেই এসব ঘটনা ঘটছে। সেটার জন্য কেন মিয়ানমার সরকারকে দায় দেব? যত দিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আমরা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে চেষ্টা করব।’ 

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের একটা ভাষা আছে, সরকারি দলের সিদ্ধান্ত তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক না। সেন্টমার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরাকান আর্মি নামের যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি।’

তিনি বলেন, ‘সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়, সে নৌযান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকেছিল, তখনও অনেকে উস্কানি দিয়েছিল। মিয়ানমার উস্কানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করব। একটা সমাধান বের করব। যুদ্ধে জড়াব না।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে, কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ এ জাতির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধিকার লড়াইয়ে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফখরুল কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন, তা জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে। সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ-আলোচনার সময় পেরিয়ে যদি যায়, যদি সত্যিই তারা আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকব? আমাদেরও পাল্টা জবাব দিতে হবে।’

সব দেশের রাজনীতি ঝুঁকিতে

সারা বিশ্বই এখন রণক্ষেত্র বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘পুরো বিশ্বই এখন অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়েছে। সবাই ব্যয় সংকোচন করছে। বড় বড় দেশগুলো বিশ্বযুদ্ধের মহড়া দিচ্ছে। আমরাও এর শিকার হচ্ছি। এ কারণে বড় বড় প্রকল্প অনেকটা স্লো হয়ে গেছে। বিশ্বের অনেক দেশ অর্থ সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে। সারা বিশ্বে অর্থ সংকট কবে শেষ হবে তা বলা যাচ্ছে না। সব দেশের রাজনীতি এখন কঠিন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি ফান্ডিং কমে এসেছে। আমাদের এখন শ্যাম ও কুল দুটিই রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা