নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৪ ১৭:৩৭ পিএম
আপডেট : ০২ জুন ২০২৪ ১৮:০৯ পিএম
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান।
রবিবার (২ জুন) বেলা ৩টায় রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এসে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার পর ব্যারিস্টার সুমন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিমন্ত্রীর বিপক্ষে একটি শোকজ নোটিস ছিল। যার জবাব দেওয়ার জন্য আমি আইনজীবী হিসেবে এখানে এসেছি। মূলত, একটি ভিডিও এখানে দেখানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি (প্রতিমন্ত্রী) তিনজনের জন্য ভোট চেয়েছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভোট চাওয়ার বিষয়টি দুবার বলা হয়েছে। এর মানে এটি সুপার এডিটেড হতে পারে। আর এ বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জ করা, প্রমাণ করা সময় সাপেক্ষ বিষয়।
ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, নির্বাচনের ইমেজ ঠিক রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন যে কাজ করছে তার জন্য প্রতিমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘কোনো কারণে যদি আমার জানার বাইরে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ হয়ে থাকে তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’ একই সঙ্গে আইনের ব্যত্যয় ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়নি বলেও দাবি করেছেন তিনি।
গত ৩১ মে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রতিমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে বলা হয়, পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোট বাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া ঘাট এবং চালতাবুনিয়া ইউনিয়নের চালতাবুনিয়া বাজারে ত্রাণ বিতরণের সময় প্রতিমন্ত্রী প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। যা বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ কার্যক্রম উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ -এর লঙ্ঘন।
সে জন্য আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কেন তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।