মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
দেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘদিন ধরেই নানা কাঠামোগত দুর্বলতা, আস্থাহীনতা এবং নীতিগত অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করছে। এখানে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বরাবরই তুলনামূলকভাবে সীমিত।
তবে তারা সক্রিয়। কিন্তু উদ্বেগজনক তথ্য হলো, বিদেশিরা নতুন করে শেয়ার কেনার চেয়ে বিদ্যমান বিনিয়োগ বিক্রি করে মূলধন তুলে নিচ্ছেন। এতে বাজারে বিদেশি মূলধনের নিট প্রবাহ নেতিবাচক হয়ে পড়ছে। এই প্রবণতা শুধু পুঁজিবাজারের জন্যই নয়, সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এই অবস্থা চলতে থাকলে পুঁজিবাজার কি বিদেশি বিনিয়োগশূন্য হবে!
৮ জুলাই বুধবার প্রতিদিনের বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রতিবেদন বলছে, দেশের পুঁজিবাজারে গত অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কেনার চেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা অনিশ্চয়তার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নতুন করে শেয়ার কেনার চেয়ে বিদ্যমান বিনিয়োগ বিক্রি করে মূলধন তুলে নেওয়া বা নিট বিক্রেতার অবস্থানে বেশি থাকছেন। ফলে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন বেরিয়ে যাওয়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯৪৩ কোটি ৯ লাখ টাকা। আগের অর্থবছর ছিল ৩ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি লেনদেন প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। ব্যবধান বাড়লেও এই পরিসংখ্যান বাজারের জন্য পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ লেনদেনের পরিমাণ বাড়ার কথা বলা হলেওÑ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন বাজারে নিট বিক্রেতা হিসেবে অবস্থান করেছেন। অর্থাৎ তারা যত টাকা দিয়ে শেয়ার কিনেছেন, তার চেয়ে বেশি মূল্যের শেয়ার বিক্রি করেছেন। এতে দেশের পুঁজিবাজার থেকে বিদেশি মূলধন বের হওয়া প্রবণতাই লক্ষণীয়।
পরিসংখ্যান বলছে, অর্থবছরের শুরুতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আচরণে বড় প্রভাব ফেলেছিল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির নানা উদ্বেগের কারণে নির্বাচনের আগে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। পরে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দুই মাস পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। সে সময় বাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়তে শুরু করে। কিন্তু এই ইতিবাচক প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এই সংঘাতের কারণে জ্বালানির দামের সম্ভাব্য অস্থিরতা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগ সীমিত করেছেন। এই চিত্র শুধু বাংলাদেশ নয়, এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তাদের অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন। জানা গেছে, তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ বাজার থেকে মূলধন সরিয়ে তারা উন্নত ও কঠোর নিয়ন্ত্রিত বাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে মূলধনি মুনাফা কর এবং সেই কর নির্ধারণের বর্তমান পদ্ধতি বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। এ বিষয়ে ডিবিএ একাধিকবার নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে বিষয়টি তুলে ধরেছে। নতুন চেয়ারম্যান ও তিন কমিশনার নিয়ে দায়িত্ব নেওয়া কমিশন বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নিলে বাজারে আস্থা ফিরতে পারে।
আসলে পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগের গুরুত্ব কেবল অর্থের অঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাজারে প্রবেশ করেন। তারা কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা, করপোরেট সুশাসন, বাজারের স্বচ্ছতা, নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির শক্তিমত্তা বিবেচনা করে বিনিয়োগ করেন। ফলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়া মানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি দেশের অর্থনীতির প্রতি আস্থার প্রতিফলন। অন্যদিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যখন ধারাবাহিকভাবে বাজার থেকে মূলধন প্রত্যাহার করেন, তখন সেটি অন্য বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি নেতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।
অবশ্য দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কখনোই খুব বেশি ছিল না। মোট বাজার মূলধনের তুলনায় তাদের অংশ সামান্য হলেও বাজারে তাদের উপস্থিতির ‘প্রতীকী’ গুরুত্ব ছিল অনেক বেশি। কারণ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত মৌলভিত্তিসম্পন্ন, ভালো করপোরেট পরিচালনাসম্পন্ন এবং লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন। তাদের বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বাজারের গুণগত মানের একটি সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই বিনিয়োগকারীরাই যদি একের পর এক শেয়ার বিক্রি করতে থাকেন তাহলে বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা অসংগত নয়।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই বিক্রিমুখী হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। বিশেষ করে, বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা। একজন বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার থেকে পাওয়া মুনাফার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সেই অর্থ সহজে নিজ দেশে নিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা। কিন্তু যখন ডলারের সংকট তৈরি হয়, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয় কিংবা লভ্যাংশ ও মূলধন প্রত্যাবাসনে বিলম্ব হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করেন। একটি স্থিতিশীল পুঁজিবাজারের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত হতে হয় পূর্বানুমানযোগ্য, স্বচ্ছ এবং বিনিয়োগবান্ধব। কিন্তু যখন ঘন ঘন নীতির পরিবর্তন ঘটে, বাজারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বাড়ে কিংবা বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, তখন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারান।
করপোরেট সুশাসনের দুর্বলতাও বিদেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে। তালিকাভুক্ত অনেক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ক্ষুদ্র শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার সবসময় সুরক্ষিত হয় না। অনেক কোম্পানি নিয়মিত লভ্যাংশ দেয় না, আবার কিছু প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের জবাবদিহিতাও দুর্বল। এসব কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বাজারকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন।
বাজারে তারল্যের সীমাবদ্ধতাও একটি সমস্যা। বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সাধারণত বড় অঙ্কের লেনদেন করেন। কিন্তু যখন বাজারে পর্যাপ্ত ক্রেতা বা বিক্রেতা থাকে না, তখন বড় বিনিয়োগ সহজে প্রবেশ বা বের হতে পারে না। এতে বাজারের কার্যকারিতা কমে যায় এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিকল্প বাজারে চলে যেতে আগ্রহী হন। এ ছাড়া বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে উন্নত দেশগুলোতে সুদের হার বৃদ্ধি, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ উদীয়মান বাজার থেকে অর্থ সরিয়ে তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগ করছেন। বাংলাদেশও এই বৈশ্বিক প্রবণতার বাইরে নয়। তবে প্রশ্ন হলো, একই পরিস্থিতিতে অনেক উদীয়মান বাজার বিদেশি বিনিয়োগ ধরে রাখতে সক্ষম হলেও বাংলাদেশ কেন পারছে না?
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এভাবে বিদেশি মূলধন পুঁজিবাজার থেকে চলে যাওয়ায় তাৎক্ষণিক কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে বাধ্য। এতে বাজারে বিক্রির চাপ বাড়ে এবং শেয়ারের দাম কমতে থাকে। দেশীয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। তারা বিদেশিদের অনুসরণ করে নিজেরাও শেয়ার বিক্রি শুরু করেন। এতে বাজারে নতুন বিনিয়োগের গতি কমে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে মূলধন সংগ্রহের সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। এর প্রভাব শুধু শেয়ারবাজারেই সীমাবদ্ধ থাকে না।
বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে অবস্থান করছে। উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্পায়নের গতি অব্যাহত রাখতে দেশটির বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটে বিদেশি মূলধনের ধারাবাহিক বহির্গমন অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা নয়। বিশেষ করে যখন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ডলারের সরবরাহ এবং বৈদেশিক অর্থপ্রবাহ নিয়ে নানা ধরনের চাপ রয়েছে, তখন পোর্টফোলিও বিনিয়োগের নেতিবাচক প্রবাহ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এই বাস্তবতায় সরকার এবং সংশ্লিষ্টদের করণীয় কী?
১. পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। বাজারকে কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে স্বাভাবিক চাহিদা-জোগানের ভিত্তিতে পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে। বিনিয়োগকারীরা যেন নিশ্চিত হতে পারেন যে নীতিনির্ধারণ হবে যুক্তিনির্ভর, স্বচ্ছ এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে।
২. বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যেন সহজে লভ্যাংশ ও মূলধন প্রত্যাবাসন করতে পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে বিনিময় হার নীতিতে স্বচ্ছতা এবং পূর্বানুমানযোগ্যতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
৩. তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রকাশ, স্বাধীন পরিচালকের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিতকরণ, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অধিকার রক্ষা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ বাজারে আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
৪. বাজারে ভালো কোম্পানির সংখ্যা বাড়াতে হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বৃহৎ লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাজারের গভীরতা বাড়াতে পারে। পাশাপাশি বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকেও বাজারে আসতে উৎসাহিত করতে হবে। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতা ও স্বাধীনতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বাজারে কারসাজি, ইনসাইডার ট্রেডিং এবং গুজবনির্ভর লেনদেন কঠোরভাবে দমন করা না গেলে কোনো বিনিয়োগকারীই দীর্ঘমেয়াদে আস্থা ফিরে পাবেন না।
মনে রাখা দরকার, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আবেগ দিয়ে নয়, তথ্য ও আস্থার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন। তারা যে বাজারে স্বচ্ছতা, নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং জবাবদিহি দেখতে পান, সেখানেই বিনিয়োগ করেন। তাই বিদেশি মূলধন ফিরিয়ে আনতে আলাদা প্রণোদনার চেয়ে বেশি প্রয়োজন একটি বিশ্বাসযোগ্য বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা।
এটা মানতেই হবে, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিক মূলধন প্রত্যাহারকে সাময়িক ঘটনা হিসেবে উড়িয়ে দিলে চলবে না। বরং এটিকে বাজারের অন্তর্নিহিত দুর্বলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কারণ আস্থা হারানো সহজ, কিন্তু সেই আস্থা পুনর্গঠন করতে সময়, সংস্কার এবং ধারাবাহিক নীতিগত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।
অভিজ্ঞজনেরা মনে করেন, অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন, শিল্পায়নের গতি এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের স্বার্থে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় বিদেশি মূলধনের এই নীরব প্রস্থান একসময় দেশের পুঁজিবাজারের সংকটকে আরও গভীর করবে এবং তার অভিঘাত পুরো অর্থনীতিকেই বহন করতে হবে।
লেখক: মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল (কলাম লেখক ও শিল্পোদ্যোক্তা)