× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তি: একটি পর্যালোচনা

শাহাব উদ্দিন মাহমুদ

প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে

গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত বালুকারাশি আজ কেবল বারুদের গন্ধে নয়, বরং কূটনীতির সূক্ষ্ম জালের মারপ্যাঁচেও অবরুদ্ধ। দীর্ঘদিনের সংঘাত, ধ্বংসযজ্ঞ এবং রক্তপাতের পর যখনই বিশ্বমঞ্চে ‘শান্তিচুক্তি’ কিংবা ‘যুদ্ধবিরতি’র শব্দগুলো উচ্চারিত হয়, তখনই নিপীড়িত মানুষের মনে আশার আলো জ্বলে ওঠে।

কিন্তু ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই শান্তি প্রক্রিয়াগুলো অধিকাংশ সময় শুভংকরের ফাঁকিতে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালের জুনের এই উত্তপ্ত দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এমন এক মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে একদিকে চলছে তীব্র সামরিক সংঘাত, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে তৈরি হচ্ছে সুদূরপ্রসারী ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের নকশা। এই ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আমরা গত দু সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করব।

এ সময়ের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রে এবংকূটনৈতিক টেবিলে নাটকীয় কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা বিশ্বরাজনীতিতে ঝাঁকুনি  দিয়েছে।

৯ জুন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিবাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। একই দিনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিরসনে ও হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার শর্তে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

১০ জুন মার্কিন বিমানবাহিনী পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সামরিক রাডার ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে ১০১৬৯তম জরুরি অধিবেশনে বসে।

১১ জুন মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ঘোষণা করে, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের দুই দিনব্যাপী সামরিক অভিযান ‘সফলভাবে সম্পন্ন’ হয়েছে। 

১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে বড় ধরনের সামরিক হামলা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা হ্রাস পায়। তবে একই দিনে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে এবং লেবাননের সীমান্ত অঞ্চলে হিজবুল্লাহর সাথে ইসরায়েলি স্থলবাহিনীর প্রচণ্ড সংঘর্ষের খবর আসে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মার্কিন-ইরান-ইসরায়েল সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

১৩ জুন হরমুজ প্রণালীতে নিয়ন্ত্রণ এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সীমা নির্ধারণ নিয়ে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে এক অদৃশ্য মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চলতে থাকে। 

১৪ জুন কাতার ও ওমানের দীর্ঘ কূটনৈতিক মধ্যস্থতা সফলতার মুখ দেখে। জেনেভা থেকে একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের খসড়ায় সম্মত হয়েছে।

১৫ জুন জেনেভা চুক্তির খসড়া প্রকাশের পর ইসরায়েলি মন্ত্রিসভায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ‘তেহরানের কাছে ওয়াশিংটনের কৌশলগত আত্মসমর্পণ’ বলে আখ্যা দেন এবং ঘোষণা করেন, মার্কিন চাপ সত্ত্বেও গাজা ও দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নিজস্ব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৬ জুন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এই চুক্তিকে স্বাগত জানালেও সতর্ক করে বলেন, গাজা ও ফিলিস্তিনিদের সম্পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি আনতে পারবে না। 

১৭ জুন চুক্তির চূড়ান্ত স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং মার্কিন প্রতিনিধিদল জেনেভায় পৌঁছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এই সমঝোতা স্মারককে স্বাগত জানিয়ে একটি বিশেষ প্রস্তাব পাসের প্রস্তুতি শুরু করে। ১৮ জুন সমস্ত অনিশ্চয়তা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনাকে পেছনে ফেলে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন। 

ইতিহাস সাক্ষী, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের ‘শান্তি’ উদ্যোগগুলো কখনোই স্থায়ী সমাধানের জন্য ছিল না। বরং তা ছিল ইসরায়েলের আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের ঢাল। বর্তমান শান্তি প্রক্রিয়ার আড়ালেও সে ধরনের কূটকৌশল রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। 

 মার্কিন মধ্যস্থতায় যে গাজা শান্তি পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে, তার দ্বিতীয় ধাপের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করা।

২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনীর গাজার নির্দিষ্ট ‘ইয়েলো লাইন’ বা হলুদ সীমানার পেছনে হটবার কথা ছিল, যার ফলে ফিলিস্তিনিরা গাজার ৫৩% ভূমির নিয়ন্ত্রণ পেত। কিন্তু ২০২৬ সালের জুনের উপাত্ত বলছে, ইসরায়েল ইতোমধ্যে গাজার ৬৪% এলাকা দখল করে নিয়েছে এবং নেতানিয়াহু এটিকে ৭০%-এ উন্নীত করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বর্তমান সামরিক ও কূটনৈতিক কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ‘প্রতিরোধের অক্ষ’কে ভেঙে দেওয়া। সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পতন এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর উপর্যুপরি আঘাতের পর, শান্তিচুক্তির প্রস্তাব দিয়ে ইরানকে হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে। 

শান্তির আড়ালে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ পথ ‘রাফাহ ক্রসিং’ নামমাত্র খোলা রাখা হয়েছে। ইসরায়েল পদ্ধতিগতভাবে গাজার ৮০% অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে এবং পানি ও স্যানিটেশনের মতো মৌলিক অধিকার থেকে ফিলিস্তিনিদের বঞ্চিত রাখছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই জটিল দাবার বোর্ডে এশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দেশের অবস্থান ও প্রতিক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন কৌশলগত স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে আবর্তিত হচ্ছে।

নয়াদিল্লির অবস্থান এই সংকটে অত্যন্ত সতর্ক এবং ভারসাম্যপূর্ণ। একদিকে ভারতের সাথে ইসরায়েলের গভীর সামরিক ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও সেখানে কর্মরত লাখ লাখ প্রবাসী ভারতীয়দের স্বার্থ এখানে জড়িত। 

প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের নেতৃত্বাধীন তুরস্ক এই সংকটে পশ্চিমা ও ইসরায়েলি নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে সোচ্চার এবং আক্রমণাত্মক সমালোচক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আঙ্কারা মনে করে, মার্কিন-ইসরায়েল অক্ষ মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র পুনর্নির্ধারণ করতে চায়, যা শেষ পর্যন্ত তুরস্কের দক্ষিণ সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এমন পরিস্থিতিতে তুরস্ক গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে সুর চড়িয়েছে।

গত দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষিতে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, হামাস ও হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নির্মূল করে যে ‘তথাকথিত শান্তি’ আনার চেষ্টা চলছে, তা আঙ্কারা মেনে নেবে না। তুরস্ক আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিয়ে একটি স্বাধীন মুসলিম কোয়ালিশন গঠনের জোর দাবি জানিয়ে আসছে।

এমতাবস্থায় ইসলামাবাদ বর্তমানে এক কঠিন ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে চরম অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আইএমএফ এবং মার্কিন সমর্থন পাকিস্তানের প্রয়োজন, অন্যদিকে বন্ধুরাষ্ট্র চীন ও প্রতিবেশী দেশ ইরানের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখার চাপ রয়েছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং দেশটির সামরিক এস্টাবলিশমেন্ট ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ সামরিক হামলার সরাসরি বিরোধিতা করছে।

পাকিস্তান গত কয়েক দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে ‘ইসলামাবাদ মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে পর্দার আড়ালের আলোচনা এগিয়ে নিতে পাকিস্তান অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ভয়াবহতা ও গভীরতা কেবল তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব। এর প্রকৃত ক্ষত লুকিয়ে আছে নির্মম কিছু পরিসংখ্যানের ভেতর। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে এ পর্যন্ত ৭২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে, যা আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বর্বরতম গণহত্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ইসরায়েলি বিমান ও স্থল হামলায় গাজা উপত্যকার ৮০ শতাংশের বেশি ঘরবাড়ি, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল পুরো ভূখণ্ডটিকে ফিলিস্তিনিদের জন্য স্থায়ীভাবে বসবাসের অযোগ্য করে তোলা।

১৮ জুন ২০২৬-এর সবচেয়ে বড় চমক ও ভূ-রাজনৈতিক ভূকম্পনটি এসেছে হোয়াইট হাউস এবং তেহরানের যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে। সমস্ত সামরিক উত্তেজনা ও পর্দার আড়ালের ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় একটি ঐতিহাসিক ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে শান্তি প্রক্রিয়ার যে নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে, তা মূলত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরায়েলি জায়নবাদের এক যৌথ কৌশলগত ইন্দ্রজাল। বন্দুকের নলের মুখে, গাজাকে অবরুদ্ধ রেখে এবং ইরানকে সামরিকভাবে কোণঠাসা করে যে শান্তির ফর্মুলা ওয়াশিংটন চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, তা টিকতে পারেনি বলেই শেষ পর্যন্ত ১৮ জুন ১৪ দফার চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ভারত যেখানে নিজের অর্থনৈতিক স্বার্থে এখানে একটি কৃত্রিম স্থিতিশীলতা দেখতে চায়, পাকিস্তান যেখানে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে ব্যস্ত, সেখানে তুরস্কের মতো দেশগুলো এই চুক্তির অন্তরালে লুকিয়ে থাকা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার। ইতিহাস আমাদের শেখায়, ন্যায়বিচার ছাড়া কোনো শান্তিচুক্তিই টেকসই হয় না। ফিলিস্তিনিদের ভূমি অধিকার, সার্বভৌমত্ব এবং আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারকে অস্বীকার করে মার্কিন-ইসরায়েল অক্ষ যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছে, তা যতক্ষণ না ছিন্ন হচ্ছে, ততক্ষণ এই চুক্তিগুলো কেবল সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে, স্থায়ী শান্তি নয়। গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা দখলের ইসরায়েলি জেদ এবং  মার্কিন-ইরান চুক্তিÑ এই দুই বিপরীতমুখী স্রোত মধ্যপ্রাচ্যকে এক নতুন ও জটিল মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ওয়াশিংটনের এই আপাত ‘পিছুটান’ মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত বসন্ত আনবে, না আরও বড় কোনো বৈশ্বিক ঝড়ের পূর্বাভাস, সেটাই ভাবনার বিষয়।


লেখক: শাহাব উদ্দিন মাহমুদ (কলাম লেখক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা