প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৩ ১৭:৩২ পিএম
আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২৩ ১৭:৪৮ পিএম
ফোকাস বাংলা
নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের বাধা দিলে ২ থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রেখে 'জনপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০২৩'-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (অ্যামেনডেন্ট) অ্যাক্টের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
পরে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আইনে কিছু সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছিল। বিদ্যমান আইনে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সাত দিন আগে বকেয়া বিল জমা দিতে হতো। নাহলে মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হতো। প্রস্তাবিত আইনে বলা হয় মনোনয়নপত্র যেদিন জমা দেওয়া হবে, তার আগের দিন পর্যন্ত বকেয়া বিল জমা দিতে পারবে।
'নির্বাচনে প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে টিআইএন সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে এবং কত টাকা আয়কর জমা দিয়েছে, সেটার রসিদও জমা দিতে হবে। আইনে এ দুটি অংশ যোগ করা হয়েছে।'
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, 'আপনারা যারা গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষক, আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখানে একটি বিধান রাখা হয়েছে। যদি কেউ গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের আইনানুগ কাজে বাধা প্রদান করেন, সেক্ষেত্রে দুই থেকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।'
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, 'ধরুন আপনি ক্যামেরা নিয়ে কোথাও গেলেন, সে সময় মনোমালিন্য হতে পারে, আপনাকে বেরিয়ে যেতে বলা হলো। আপনার যদি বৈধভাবে প্রবেশ করার অধিকার থাকে, কিন্তু তারপরও আপনাকে বের করে দেওয়া হলো বলপ্রয়োগ করে, ক্যামেরা ভেঙে ফেলল ইত্যাদি অনেক কিছুই হতে পারে। সেক্ষেত্রে দুই থেকে সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।'
মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, 'বেশ কিছু ধারা নিয়ে মন্ত্রিসভার পর্যবেক্ষণ রয়েছে, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী সভায় আলোচনা করা হবে। তারপরে আরও কিছু যদি সংযোজন হয়, সেটাসহ পাস করা হবে।'
আইনে ছোটখাটো অনেকগুলো বিষয় আছে জানিয়ে তিনি জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শুধু ডিস্ট্রিক্টে (জেলায়) রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের উল্লেখ করা ছিল। এখন প্রতিটি আসনে একজন রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হবে। অর্থাৎ ৩০০ আসনে ৩০০ জন রিটার্নিং অফিসার থাকবে।