প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২০:৩৩ পিএম
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। প্রবা ফটো
সাংবাদিক সমাজ ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করা শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, রাষ্ট্রেরও নৈতিক কর্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) উদ্যোগে প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ আব্দুল কাইয়ুম খান, ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতা এবং প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সাংবাদিক সমাজ ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করা শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, রাষ্ট্রেরও নৈতিক কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নেওয়ায় ডিআরইউ এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনআরবিসি ব্যাংককে তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানান।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সব দায়িত্ব সবসময় প্রত্যাশিত মাত্রায় পালন করা সম্ভব হয় না। সেখানেই নাগরিক সমাজ এবং ডিআরইউ-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি এবং তাদের ব্যক্তিত্ব ও প্রতিভা বিকাশে আপনাদের ধারাবাহিক উদ্যোগ সত্যিই অনুকরণীয়।
শিক্ষা উপদেষ্টা তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রয়াত সাংবাদিক আনোয়ারুল হকের কথা স্মরণ করে বলেন, ডিআরইউ প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্নে কিছু সাংবাদিক ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় নিজেদের সংগঠন তৈরির শক্ত সংকল্প থেকেই এই প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। আজকের এই অগ্রযাত্রা সেই সাফল্যের সাক্ষ্য বহন করে।
সি আর আবরার বলেন, রিপোর্টারদের কর্ম ব্যস্ততার কারণে পরিবার, বিশেষত সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে না পারা একটি বড় বেদনা। সেই শূন্যতা পূরণে সহকর্মী ও সংগঠনের পক্ষ থেকে যে সহমর্মিতা ও দায়বদ্ধতা আপনারা দেখাচ্ছেনÑ তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
শিক্ষা উপদেষ্টা ডিআরইউ পরিচালিত উইকেন্ড স্কুল, যেখানে শিশুদের সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও অন্যান্য প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির একটি পূর্ণাঙ্গ স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে ‘অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও অর্জনযোগ্য’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।