প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২২:৩৯ পিএম
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈনের লেখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন। প্রবা ফটো
মাদক ও কিশোর গ্যাং গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈনের লেখা ‘মাদকের সাতসতেরো : বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সমাধানসূত্র’ এবং ‘কিশোর গ্যাং : কীভাবে এলো, কীভাবে রুখব’ শীর্ষক দুটি বইয়ের মেড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ মিনারে বই দুটির মোড়ক উম্মোচন করা হয়। মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান উপস্থিত ছিলেন র্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল মো. মাহাবুব আলম ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন র্যাবের পরিচালক, অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈনের লেখা সচেতনতামূলক বই দুটি ‘মাদকের সাতসতেরো’ ও ‘কিশোর গ্যাং- কীভাবে এলো, কীভাবে রুখবো’ অমর একুশে বইমেলায় কবি প্রকাশনীর ৬৩ ও ৬৪ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে।

এ সময় র্যাব ডিজি এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ হচ্ছে মাদকের একটি ট্রানজিট রোড। এর থেকে যদি বাঁচতে হয়, তবে আমাদের সম্মিলিতভাবে মাদকের বিরুদ্ধে আইনিভাবে সামাজিক পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ, দেশ আমাদের, দেশের মানুষ আমাদের, বাংলাদেশ আমাদের অহংকার।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে বসবাস করব। এদেশের শান্তি ও সুন্দর সামাজিক ব্যবস্থার জন্য মাদক ও কিশোর গ্যাংসহ জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করে সম্মিলিতভাবে নির্মূল করতে হবে। নির্মূল আমি ওই অর্থে বলব না, কারণ বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই যারা মাদককে নির্মূল করতে পেরেছে। আমি মনে করি, যারা অনেক বড় কথা বলে সেই সব দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো।’

কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে র্যাব ডিজি বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের কেউ না কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা আছে। এরা সব সময় থাকে। অতীতে ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা চেষ্টা করছি কিশোর গ্যাং সমুলে কিভাবে বিনাশ করা হয়। পাশাপাশি যারা এদের পরিচালনা করছে আমরা তাদেরকেও আইনের আওতায় আনবে। আমরা চাই সমাজের মানুষ যাতে কিশোর গ্যাংয়ের হাত থেতে রেহাই পায়।’
মাদকের বিষয়ে র্যাব ডিজি বলেন, ‘মাদকের বিষয়ে কিছু দিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মিটিং হয়েছে। সেখানে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে সব বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলাম। মাদকের বিষয়টি এমন হয়েছে যে শুধু পুলিশ-র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দিয়ে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো মাদক নিয়ন্ত্রণে অনেক বেআইনি পদক্ষেপও নিয়েছে। কিন্তু আমরা সেই পথে যাচ্ছি না, আইনের মধ্যে থেকেই মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি।’