প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৩ ২৩:৫৪ পিএম
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৩ ০০:০৮ এএম
নন্দিত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
নন্দিত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের ৭৭তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন তিনি রাজশাহীর লক্ষ্মীপুরের হাজিরপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সেলিনা হোসেনের লেখালেখি শুরু স্কুলজীবন থেকেই। কবিতা দিয়ে শুরু হলেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন কথাসাহিত্যে। বৈচিত্র্যের প্রাচুর্যে সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা সাহিত্যকে। তাঁর ইতিহাস ও রাজনীতিনির্ভর লেখাগুলো জীবন ও বাস্তবতার আলেখ্য হিসেবেও পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।
১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উৎস থেকে নিরন্তর’। এ পর্যন্ত প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে তাঁর গল্প। শিকাগোর ওকটন কলেজের সাহিত্য বিভাগে দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্য কোর্সে তার ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসটি পাঠ্যসূচিভুক্ত হয় ২০০৫ সালে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘যাপিত জীবন’ ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ উপন্যাস পাঠ্যসূচিভুক্ত। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচটি উপন্যাস এমফিল গবেষণাভুক্ত। তার দুটি গ্রন্থ ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ এবং ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ দিয়ে চলচ্চিত্র এবং কয়েকটি গল্প নিয়ে নাটক হয়েছে।
সেলিনা হোসেনের কর্মজীবন শুরু বাংলা একাডেমিতে; গবেষণা সহকারী হিসেবে। ২০ বছরের বেশি সময় 'ধানশালিকের দেশ' পত্রিকা সম্পাদনা করেন। তিনি একাডেমির প্রথম নারী পরিচালক হন। অবসর গ্রহণের পর শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। বর্তমানে বাংলা একাডেমির সভাপতি তিনি।
সেলিনা হোসেন রাষ্ট্রীয় একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ড. মুহম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় তাঁকে ভূষিত করা হয়েছে। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাতীয় নাট্যশালার মূল থিয়েটার হলে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বঙ্গীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদ।